Tuesday, August 28, 2007
ভাবনাদের টানাপোড়নে
ঘরের মইধ্যে থাইক্যা কয়-
মন জুড়ে আমার গোটা আকাশ;
গগন-মনন আমার আমি।
আকাশতলে গিয়া বইল্যা ওঠে-
ঘর যে টানে বড়ো,
আকাশ মোরে ছাড়ো;
ঘরের মায়া যায় না ভোলা!
ঘরবাহিরের টানাপোড়নে
অসীম জ্বালা এই অন্তরে;
প্রার্থনা তাই তাঁহার সনে-
স্থির করো এই মনটারে।
Wednesday, June 27, 2007
কফির কাপ হাতে আলোকিত সন্ধ্যায়
প্রথম চুমুকঃ
ঠান্ডা হয়ে এসেছে প্রায়- বিচ্ছিরি ধরনের কটুস্বাদ।
শরীরের কেমন যেনো বিদ্রোহ প্রকাশ।
দ্বিতীয় চুমুকটা কেমন হবে সেই অপেক্ষায় চিন্তাযুক্ত।
তবে অপেক্ষার অবসান তার বাহকের কাছেই।
বাহক আমি, নেবো নেবো করেও চুমুক দেয়া হচ্ছে না।
লাল-সাদার এই কফির মগের সাথে চলছে এ কেমনতর খেলা!
অবশেষে...
দ্বিতীয় চুমুকঃ
একটা মশা এসে বসলো মধ্যমায়-বাঁ-হাতের তর্জনী উদ্ধত হয়ে উঠতেই
দিলো এক উজাড় উড়াল- গন্তব্য কোথায়!
ওহ! যা বলছিলাম, এই চুমুকেও ব্যতিক্রম কিছু হলো না,
আমার ক্ষীণতনু আবারো বিদ্রোহ প্রকাশ করছে।
এই একাকী সন্ধেবেলায় এই ঠান্ডা হয়ে আসা গাঢ় রঙের তরল পদার্থ তার ভালো লাগছে না কিছুতেই।
আর মননশীল আমার মনের তো কোনো খোঁজই নেই
সে যেকোনো উপায়ে মনের মানুষটাকে চাচ্ছে- ভালোবাসা!
তৃতীয় বারের মতো শরীরের উপর আবার অত্যাচার শুরু...
তৃতীয় চুমুকঃ
"এ কেমনতর স্বাদরে কফির!? অসহ্য"
চেঁচিয়ে উঠলো রক্তমাংসের শরীরটা।
"ঠান্ডা হয়ে যাওয়া কফি কেউ খায় নাকি!? অসহ্য"
বলতে বলতে তিরস্কার করতে থাকলো আমায়।
আমিও আর কালক্ষেপণ না করে চতুর্থবারের মতো ঠোঁটে তুলে দিলাম।
চতুর্থ চুমুকঃ
গর্জে উঠলো স্বাদগ্রন্থিগুলি, "দূরছাই!!
একী অত্যাচার আমার উপর! বন্ধ কর্ বন্ধ কর্।"
শরীরের অবিরাম ভৎসর্ণা তিরস্কারে মন ফিরে
এই ছোট্ট যন্ত্রসংগীতমুখর আলোকিত ঘরটায়।
মন ফিরে আসে তার সনাতন সেই আবাসস্থলে।
অবাক হয়ে ভাবে কত্তো মানুষ! নারী-পুরুষে
গমগম করছে ঘরখানা; তবু সে শুনেনা কিছুই
এই ভীড়ের মাঝে সে ভীষণ একা। হারাই হারাই ভাব!
"এই যে!" ফুসে ওঠে ১০৯ পাউন্ডের দেহখানা;
"কী হলো?? ভয়ে ভয়ে জবাব দেয় আমার মন।
"আমার উপর কী অত্যাচার হচ্ছে দেখেছিস? ঠান্ডা বিচ্ছিরি টাইপের কফি নামক বিষ আমায় খাওয়ানো হচ্ছে বিরতি দিয়ে দিয়ে। তুই কী করছিস?!"
"ওহ! তাই নাকি! কই দেখি তো এক চুমুক খেয়ে।"
প্রথমবার দেহমনের সমন্বয়ে হাত বাড়ালাম কফির কাপটার দিকে পঞ্চমবারের জন্যে..
কিন্তু একী! তলানীতে পড়ে আছে কয়েক ফোঁটা।
কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই বেয়ারা এসে নিয়ে গেলো এতক্ষণের সঙ্গীকে।
দেহ-মনের আবার বিচ্ছেদ।
দেহের তৃষ্ণা পঞ্চম চুমুকের... উঠে দাড়ায় চেয়ার ছেড়ে।
মনের তৃষ্ণা ভালোবাসার... হারায় অজানায় অচেনায়।
পরিশিষ্ট:
তুই আসিসনি এখনো বন্ধুদের আড্ডায়
ক্লান্ত দিনের শেষে কোনো ক্যাফেতে
কফির কাপ হাতে আলোকিত সন্ধ্যায়
ভাসাসনি আমাকে তোর হাসিতে।
বাবুইয়ের বুনে চলার অবিরাম চেষ্টাতে
নেমে আসছে নিরাশার ছায়াপরিত্যক্ত হচ্ছে একে একে নীড়গুলো
পরিশ্রান্ত আমার ভালোবাসা।
_______________________________
স্থানঃ ক্যাফে লা ভারেন্দা, আলিয়্যঁস ফ্রস্যেঁজ, ঢাকা।কালঃ ১৮:৪৫
*****পরিশিষ্ট অংশ 'বাংলা এভিনিউ'র 'চন্দ্রাস্ত' গানের কয়েকটি লাইন। গানখানার লিংক দিলামঃ চন্দ্রাস্ত
Saturday, February 17, 2007
"বাবা, আপনাকে খুব ভালোবাসি"
"বাবা, আপনাকে খুব ভালোবাসি।" কথাটা আজ পর্যন্ত বলতে পারিনি। ছোট বেলায় বলেছিলাম কিনা মনে নেই। কিন্তু বুঝে উঠা শিখার পর বলেছি কিনা মনে পড়ে না। অথচ বাবা কতোই না আপন।
মা-কে তুমি বললেও বাবাকে সবসময় আপনি করেই বলে এসেছি। আজও বলি। দূরত্ব? তা মনে করি না। বাবার সাথে গান শুনতাম আগেও, এখনো শুনি। যার সাথে নিজের সবচেয়ে প্রিয় কাজটি শেয়ার করতে পারি, তার সাথে কীসের দূরত্ব! বাবার সাথে সম্পর্কটা ঠিক কেমন জানি, বুঝি না। পাঁচ ভাইবোনদের মধ্যে সবার ছোট আমি। আমার প্রতি সবার ভালোবাসাটা একটু বেশীই। সবার চিন্তা আমাকে নিয়ে। স্নেহের জোয়ারে এখনো ভাসি যখনতখন।
সেদিন অবরোধ ছিলো। খুব জরুরী কাজে মতিঝিল যাওয়া খুব প্রয়োজন। আম্মাকে কোনোভাবে ম্যানেজ করলাম। আব্বা কিছুতেই রাজি হলেন না। তাঁর এক কথা- “টাকা-পয়সার ক্ষতি হলে হোক, যাওয়ার কথা মুখে এনো নাÓ।
আমার এক বন্ধুর কথা বলিঃ উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার সময় সে কয়েকটা পরীক্ষা দিয়ে পলাতক হয়েছিলো (ভেবেছিলো ফেল করবে কিন্তু করেনি, এই না হইলো নটরডেমিয়ান!)। অনেকটা দেশভ্রমণের মতো। বেশ কিছুদিন পর সে বাসায় ফিরলো। তখন ওর বাবা ওকে ডেকে নিয়ে পাশে বসায়। তারপর ছেলেকে জড়িয়ে ধরে সে কী কান্না। বন্ধুটি ভাবতো, বাবা একটা কাঠখোট্টা মানুষ। তার ভুল ভাঙলো। আসলে বাবারা হয়তো আবেগ তেমন করে প্রকাশ করেন না।
বাবা- যার জন্যে মাকে পেয়েছি, আমি আমি হয়েছি, কতো ভালো চারটি ভাই-বোন পেয়েছি, অসীম ভালোবাসায় এতোদূর এসেছি, তাকে সহস্র সালাম। শুধু মুখ ফুটে বলতে পারি না "তোমাকে ভালোবাসি বাবা"।
জানাতে যতো যাই কথায় হারাই ততোই মানে, ভালোবাসি তোমায় তাই জানাই গানে...
"ছেলে আমার বড়ো হবে"
চশমাটা তেমনি আছে,আছে লাঠি ও পাঞ্জাবী তোমার,
২০০২ এর ডিসেম্বরে যখন মা-বাবা প্রবাসে গেলেন, ভেবেছিলাম কোন ব্যাপার না। আমি হলাম আবেগহীন মানুষ। কিছুই মনেটনে পড়বে না। কাউকেই না। কিন্তু মনে পড়ে। খুব পড়ে। কাছে পাওয়ার জন্য মনটা কেমন যেনো হয়ে যায়। যখন জেমসের এ গানখানা শুনি তখন হৃদয়ক্ষরণ কে আটকায়! কিছুদিন হলো মা-বাবা দেশে ফিরেছেন। ভাবি অবসর সময়ে কোথাও যাবো না। তাঁদের সাথেই থাকবো। কিন্তু পারি না। কেমন জানি হয়ে গেছি।! সেদিন শুনলাম পথিকের বাবা অসুস্থ; পরদিন শুনি তিনি মারা গেছেন। অজান্তেই চমকে উঠলাম- আমার বাবাও তো একদিন চলে যাবেন। প্রবাসে থাকলে তো অন্তত ফোনে কথা হয়, তখন তো আর কথাও হবে না। ভাবনাগুলোকে তাড়াতে পারি না। সত্যকে একদিন বরণ করে নিতেই হবে। জীবনের একটা সত্য, সেটা হলো মৃত্যু। সবাইকে বিদায় দিতে হবে, বাবা-মা-ভাই-বোন... ভাবি যদি কাউকেই বিদায় না দেয়া লাগতো। সবার আগে আমি চলে যেতাম, তাহলে বেশ হতো।...
Sunday, November 12, 2006
বন্ধুত্ব মানে
বন্ধুত্ব এমন একটা শব্দ যার অর্থ আজও বুঝে উঠা হলো না। হন্যে হয়ে খুঁজে ফিরি। কবিতা-গান। উক্তি। কথোপকথন। গল্প-উপন্যাস-নাটক-সিনেমা। আরো কতো কীসে চলে রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা। মাঝে মাঝে আনন্দে লাফিয়ে ওঠি, এই তো বুঝেছি! পরক্ষণেই হোঁচট খাই। ‘নাহ্ ইহা যথার্থ নয়’ বলতে হয়। ধর্মগ্রন্থেও চোখ রাখি; এতো নিয়ম-কানুন! মন মানে না। ধরা-বাঁধা কোন নিয়মের গন্ডিতে বন্ধুত্বকে বেঁধে ফেলতে সে রাজি নয়। সে চায় সর্বদা সর্বস্তরে বন্ধুত্বের অবাধ বিচরণ। মুক্ত বিহঙ্গের মতো। ‘বীক্ষ্যমান’ বিশেষণে বিশেষণীয় হয় না বন্ধুত্ব।
বন্ধুত্বকে শুধু একটি কথায় বা শুধু একটি গানে কিংবা শুধু একটি কবিতায় সংজ্ঞায়িত করা যায়নি; এক কথোপকথনেই সীমাবদ্ধ করা যায়নি তার সীমানা। বন্ধুত্বের গভীরতা প্রকাশ সম্ভব হয়নি একটি মাত্র গল্পে অথবা উপন্যাসে। একখানা নাটক অথবা একখানা সিনেমা বানিয়েই বন্ধুত্বের মডেল বা আইকন স্থাপন করা যায় নি। বন্ধুত্ব নিয়ে লেখা হয়েছে কতো না কবিতা-গল্প-উপন্যাস! বন্ধু বন্ধুকে গেয়ে শুনিয়েছে কতো না গান! কতো না কথোপকথন! কথা চলছে অবিরাম বন্ধুকে নিয়ে। ছোট-বড়ো পর্দায় ভেসে উঠছে কতো না নাটক-সিনেমা! চলছে... চলবেই।
যাকে বন্ধু বলে পরিচয় দেই, কখনো কি ভেবে দেখেছি কেন তাকে বন্ধু বলছি।! না, ভাবি না। বন্ধুত্ব কোন সুনির্দিষ্ট যোগ্যতা বিচার করে না। বয়সে বন্দি নয় বন্ধুত্ব। লিঙ্গান্তর নিয়ে বিভেদ নেই বন্ধুত্বে। শিক্ষা-অর্থবিত্ত-ধর্ম মানে না বন্ধুত্ব। কখনো কখনো রাস্তার একজন অশিক্ষিত টোকাই বন্ধু হয়ে যায়। বন্ধু শিক্ষিত হতে হবে এমন তো কোন কথা নেই। কখনো কখনো একজন অসুন্দর মানুষ প্রাণের বন্ধু হয়ে যায়। বন্ধুত্বেই পবিত্র সৌন্দর্য খুঁজে পাওয়া যায়। একজন চরম নাস্তিকও বন্ধু হয়। বন্ধুত্ব যে কখন কোথায় তার স্থান দখল করে তা কেউ বলতে পারেনি, পারবেও না।
বন্ধুত্বের অসংখ্য গানের সমারোহ হতে একটি গান, সবার জন্য-
বন্ধুত্ব মানে-
বন্ধুত্ব মানে-
বন্ধুত্ব মানে-
বন্ধুত্ব মানে-
বন্ধু আমার, যেখানেই থেকে যাও
হতে পারে বন্ধুত্বের দাবিদার
Friday, July 28, 2006
অমরত্ব তাচ্ছিল্য করেছি

Tuesday, April 4, 2006
সেই তুমি আজ
তোমার সাথে-
যাবার পথে।
এতোদিনে কেটে গেছে,
উড়ে উড়ে ভেসে গেছে
প্রায় তেরশ বছর।
তুমিও অনেকটা বুড়িয়ে গেছো।
ভাবিনি, তবুও আবার
পেলাম তোমার দেখা,
যে তুমি ছিলে আড়ালে- অদেখা।
কিন্তু এতটাই বুড়িয়ে গেলে এখন!
তোমাকেই দেখেছিলাম আমি
প্রথমবার চোখ মেলে
সেই তোমাকেই চেয়েছিলাম দেখতে
চোখ বোজার মুহূর্তে।
সেই তুমি আজ এতটা জীর্ণ!
তুমিও রেহাই পাওনি!
হে বিধাতা!
তুমি এতটাই নিষ্ঠুর কেন??
Wednesday, March 5, 2003
মৃত্যুর জন্যে
এ দিনে তোমার আগমন
ভুলিনি
কেননা তুমি আমার বড়ই আপন।
কতজন জন্মায় প্রতিদিন
কতজন মারা যায়এ
ক একটা দিন মানেই তো জীবন-মৃত্যুর খেলা
তাহলে কি করে আমরা এমনই একটা দিনে জন্মোৎসবে মেতে উঠি ?
মেতে উঠি চরম আনন্দে!
ক্ষণিকের আনন্দে ভুলে যাই এক চরম সত্যকে
অবহেলা করি তাকে-
যে আমাকে গ্রাস করবে যে কোন ক্ষণে
হয়তো বা এখন
সে হলো মৃত্যু।
জন্মদিন তো আমার মৃত্যুদিনও হয়ে যেতে পারে,পারে না ?
তাহলে তোমরা কিভাবে জন্মদিনে আমাকে শুভেচ্ছা জানাবে ?
কেন আমি সেদিন মেতে উঠবো অহেতুক আনন্দ-উল্লাসে ?
কেন আমি সে সময়টা ব্যয় করিনা জীবন গড়তে ?
এবং মৃত্যুর জন্যে প্রস্তুত হতে ?
তাই আমার জন্মদিনে আমি আনন্দ পাই না
পাই না কোন নতুনত্বের ছোঁয়া
পাই শুধুই মৃত্যুর গন্ধ
সে আসবে আমার একটি অসতর্ক মুহূর্তে।
সে কেন আমায় হঠাৎ আঘাত হানবে ?
আমি কি পারিনা সতর্ক থাকতে ?
আমি কেন তাকে বিজয়ী হতে দেব ?
বরঞ্চ তাকে সাদরে গ্রহণ করে আমি বিজয়ী হবো।
তাই উৎসবে মেতে না উঠে আমি প্রস্তুত থাকতে চাই
সে সময়ের জন্য যখনসে আসবে আমাকে হারাতে
কিন্তু
হারবো নাচিরতরে হারিয়ে গিয়েও আমি বিজয়ী হবো।
আমারও একদিন ঘটেছিল আগমন
আসবে আবার বিদায়ের ক্ষণ
হয়তো সবাই কাঁদবে তখন।
আজ তুমি করো এ পণ
“বিজয়ী হবো আজীবন”
কেননা তুমি আমার বড়ই আপন।
লড়াই কি শুধুই বেঁচে থাকার জন্য ?
তা কি হতে পারে না মৃত্যুর জন্যে ?
Friday, January 3, 2003
অদ্ভুত সকাল, মেনে নেয়া আমার বাস্তবতা
জেগে দেখি আমার উঠোনে সূর্যের সিঁদূরে জোনাক
সেই সাথে কুয়াশা ভেজা ঝিরঝির হাওয়া
রান্না ঘরে চায়ের কাপে টুং টাং শব্দ
তবু আমার মনে রাত্রির নিস্তব্ধতার নির্জনতা
কিন্তু সে নির্জনতা ভেঙ্গে দিল আমার প্রিয়ার হাত।
স্পর্শের নিবিড় আবেদন আমায় শিহরিত করে
অথচ দেহের কামনার কোন শিখা উঁকি দেয় না মনের গভীরে
নিস্তব্ধতা আমায় গ্রাস করে নির্জনভাবে
ভেসে যাওয়া মেঘের বিশালতা আমাকে ঝাঁপিয়ে দেয়
প্রিয়ার হাত ভুলে আমি উথাল-পাথাল কাব্যের সাম্রাজ্য খুঁজে ফিরি
নারী হলেও মনের গভীরে ওর অস্তিত্ব আমি খুঁজে পাইনি, তাই
সবকিছু ছেড়ে কবিতাকে নিয়ে উড়াল দেই
যেখানে আনকোড়া সব শব্দ, শব্দের গন্ধ আর
পিছুটানহীন জীবনের এক অনাবিল আনন্দ
সেখানে আমি পৌঁছে যাই হিমালয়ের বরফ ছেড়া চূঁড়ায়।
শুভ্র এ সকাল, কুয়াশার ঘোলাটে পর্দায় সূর্যের আদুরে বর্ণীল লুকোচুরি
যেমন লুকোচুরি চলছে আমার মনের অন্তরালে
তথাপি বাস্তবতা আমায় টেনে নামায় আমার কষ্টের কাছে
ভাবুক আমি আবার প্রিয়ার আলিঙ্গনে ডুবে যাই গত জন্মের মত
আমি মেনে নিই আমার বাস্তবতা - আমি মানুষ।।