Showing posts with label বিশেষ. Show all posts
Showing posts with label বিশেষ. Show all posts

Thursday, September 4, 2008

আবির্ভাবের ২৬ বছরে...

অনুভূতি জুড়ে শৃংঙ্খলার ভীষণ আক্রোশ
ভুলে সকল মায়া
পিছুটানবিহীন নির্জন পথে অচেনা আমি
হৃদয়কূলে নেই প্রগাঢ় কোনো পদচ্ছাপ
মনোনদী জোয়ার ভাটায় মুছে গেছে সব

অসম্ভবের ছবি
হন্যে হয়ে খুঁজে মরি
যে আমাকে রেখে এসেছি
সব ভুলে উদাসীন আপন মুহূর্তে
পাই শুধু হারানো স্মৃতির অস্পষ্ট আদল...

পথের বোনা দুঃখ
বিবাগী কিছু ব্যথা হয়ে শেষ সীমানায়
কেন কাঁদায়, একলা ভাবনার আড়ালে
যখন সূর্য রক্তিম হয় প্রখরতা ভুলে
ধূসর হলুদ বর্ণের চাঁদ মুচকি হাসে
আপন অঙ্গনে ভেসে ওঠা নব্যরূপে
কচি সবুজ পাতার পেছনের শুদ্ধ আলো
আর
আগুনঝরা সূর্যের পেছনের শীতলতায়।।

সেপ্টেম্বর ৩, ২০০৮ @ ২৩:৫৫

Friday, March 14, 2008

ইংরেজির ইংরেজিয়ানা

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:১৩

... ইংরেজি কথা বলি। বাংরেজি গান করি
ইংরেজি ভাব-চক্কর আর ইংরেজি স্বপ্ন দেখি।

ইংরেজি শব্দটা আমরা যখনতখনই ব্যবহার করে থাকি। এমনকি বাংলা ও ইংরেজি মিলিয়ে বাংরেজির উৎপত্তি ঘটেছে সেই ইংরেজির কল্যাণে!!! ইংরেজি ভাষা তো আমাদের জানতেই হবে- লেখাপড়ার জন্য, জীবীকা নির্বাাহের জন্য, বর্হিবিশ্বে যোগাযোগের জন্য। তবে আমরা শুধু ভাষা শিক্ষাতেই থেমে থাকেনি; ইংরেজি চালচলন আয়ত্ত্বকরণের চেষ্টা আমাদের অবিরত চলছে। চলবে তো বটেই কারণ ইংরেজরা আমাদের উপর আধিপত্য করে গেছে ১৯০(+) বছর। এখনো কি করছে না!!!!

এখন আসল কথায় আসি। ইংরেজির ইংরেজিয়ানা নিয়ে যে এতো উন্মত্ত, সেই ইংরেজি শব্দ নিজেই ইংরেজি নয়। স্পষ্ট করে বলিঃ ইংরেজ শব্দের অর্থ হলো ইংল্যান্ডের অধিবাসী। তাদের ভাষা, তাদের কাজকারবারই হলো ইংরেজি। তবে ইংরেজ বা ইংরেজি শব্দটার উংপত্তি হয়েছে পর্তুগীজ Engrez শব্দ থেকে। এই শব্দটিই বাংলায় হয়েছে ইংরেজ বা ইংরাজ। এবং এর সাথে 'ই' প্রত্যয় যুক্ত করে হয়েছে ইংরেজি বা ইংরাজি বা ইংরিজি।আমরা বাঙালিরা ইংরেজির ইংরেজিয়ানা নিয়ে মেতে উঠে বাংলার বাঙালিয়ানাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছি তা কারো জানা আছে কি?????

আমার মাকে ভালোবাসি
আমার দেশকে ভালোবাসি
তবে আমি জানি না কেন আমি হেট করি
এসব খ্যাঁৎ খ্যাঁৎ খ্যাঁৎ বেঙ্গলি।।....

রক্তজবা ছিঁড়েছে

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:০১

উদ্ভ্রান্তের মতো হাঁটছি
আর পাগলের মতো যাকে তাকে বলছি,
জানেন, ওরা আমার রক্তজবা ছিঁড়েছে

কথাগুলি গানখানাতে যতোবারই ধ্বনিত হয়, মনে এক-একটা করে হতাশার জন্ম হয়। তবুও শুনি- যখন তখনই পুরো গানখানা শুনি। কারণ সেই হতাশার সাথে জন্ম নেয় সেই স্পৃহা- যে স্পৃহা জন্ম দেবে সেই বিপ্লব - যে বিপ্লব প্রতিশোধ নেবে সেই ধর্ষকদের - যারা ধর্ষণ করে যাচ্ছে মা-বোন-মেয়ে-প্রেমিকারূপী নারীদের। যারা উন্নয়নের নামে, ধর্মের নামে, দেশ রক্ষার অজুহাতে ধর্ষণ করছে সমাজকে - সর্বোপরি আমাদের মা ও মাটিকে- দেশ ও জাতিকে। সে স্পৃহা যেন বাংলার প্রতিটি মানুষের মনে জন্ম নেয় সেই কামনায় আজকের এই- রক্তজবা

খবরটা শুনে আমি উন্মাদের মতো ছুটলাম
হাসপাতালে
চারিদিকে রক্তের ছোপ ছোপ
ধর্ষিত হয়েছে আমার প্রেমিকা-
আমার রক্তজবা।
চোখ মেলে তাকালো সেই মেয়ে
প্রেমিকের কাছে অভিযোগ
রক্তভেজা শরীরে
"জানো! ওরা ন'জন ছিলো
কতো কাকুতি-মিনতি আমি করলাম
তোমার কথাও ওদের বললাম
জানি তুমি কষ্ট পাবে।
ঈশ্বরকে আমি প্রাণপণ ডাকলাম
উনি হয়তো অন্য কোন কাজে ব্যস্ত ছিলেন
কেন তুমি এতোগুলি বছর আমায় পবিত্র করে রাখলে?
মা মাগো মা! কী ভয়ঙ্কর যন্ত্রণা!
জানো! ওরা ন'জন ছিলো
কেউ রেহাই দেয়নি।"

যে মহিলা সর্বক্ষণ তিরস্কার করতেন
আজ সে মা হয়ে গেছে
তাঁর চোখেতে আমাদের জন্য মমতা।
দু'জন পুরুষের চোখাচোখির ভাষা
পারবে কি খুনী হয়ে প্রতিশোধ নিতে তোমার রক্তজবার?

হাসপাতাল থেকে বের হলাম
সেই চেনা শহর,
সেই আইসক্রিমের দোকান,
সেই হাসি হাসি মুখ।
কতোটা অত্যাচারের পর প্রতিশোধ নেয়ার স্পৃহা জাগে?
কতোটা প্রতিশোধের জন্য খুনী হওয়াই উচিৎ?
উদ্ভ্রান্তের মতো হাঁটছি
আর পাগলের মতো যাকে তাকে বলছি,
জানেন ওরা আমার রক্তজবা ছিঁড়েছে
জানেন ওরা আমার রক্তজবা ছিঁড়েছে
জানেন ওরা আমার রক্তজবা ছিঁড়েছে
জানেন ওরা আমার রক্তজবা ছিঁড়েছে
জানেন ওরা আমার রক্তজবা ছিঁড়েছে
জানেন ওরা আমার রক্তজবা ছিঁড়েছে
জানেন ওরা আমার রক্তজবা ছিঁড়েছে
জানেন ওরা আমার রক্তজবা ছিঁড়েছে... ...

জন্মদিন এবং গণ-মিছিল

০৩ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১১:১৫

ঘড়িতে বিকেল 4: 55। ছত্রিশ নাম্বার বাসে চরে আঁলিয়াস ফ্রঁসেজ-এর পথে। জানালার পাশে বসে বাইরে তাকিয়ে দেখি আকাশটা ভীষণ-মন-খারাপ-করা নীল , এবং ঝলমলে রোদ; সেই সাথে প্রকৃতির নির্মল বাতাস আর বাসের গতিবেগ মিলে সৃষ্ট ঝড়ো হাওয়া। কোথায় যেন হারিয়ে গেলাম! হয়তো সিলেটের শিবগঞ্জে (আমার জন্মস্থান)। আমি আজও জানিনা আমার জন্মের দিনটা কেমন ছিলো- মেঘলা, বৃষ্টিস্নাত নাকি ঠিক আজকের মতো? আজও কাউকে জিজ্ঞেস করা হয়নি। আমার জন্মস্থানটাও বুঝে উঠার পর দেখা হয়নি। যাবো যাবো করে কতো বছর যে কেটে গেলো!!!!!

হঠাৎ বর্তমানে ফিরে এলাম। দেখি বাস বিজয়স্মরণীতে ট্রাফিক জ্যামে আটকে আছে। প্রথমে অবাক হলাম কারণ পল্লবী-ঢাকেশ্বরী রুটের বাস এখানে থাকার কথা নয়। তারপর মনে পড়লো সরকারী দলের গণ-মিছিলের কথা। মিরপুর রোড বন্ধ করে দেয়া হয়েছে তাই 36 তার নির্দিষ্ট রুট পাল্টাতে বাধ্য হয়েছে। যাহোক একে একে বেশ কয়েকটা জ্যাম (নভোথিয়েটারের সামনে, তেজগাঁও থানার সামনে, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার) হতে ছাড়া পায়ে বাংলা মোটর। বাস স্থির দাঁড়িয়ে আছে। নো নড়ন-চরন। সামনে দিয়ে বিভিন্ন ব্যানার-ফ্যাস্টুন-ব্যান্ড পার্টি নিয়ে একে একে রাস্তা অতিক্রম করছে শ্লোগানে (!!!??) মুখর জনতার সমুদ্র (!!!??) ।

মানুষের অফিস থেকে ঘরে ফেরার সময় তখন। কিন্তু ঢাকা শহর তখন রাস্তায়-রাস্তায় গাড়ির সারিতে আবদ্ধ। কারণ আজ সরকারের নেতৃত্বে গণ-মিছিলের জোয়ার উঠেছে। মন-মেজাজ খুব খারাপ হয়ে গেলো। আমার সাথে সাথে আকাশেরও মন হয়তো খারাপ হয়ে গেলো। আকাশে কালো মেঘ জমতে শুরু করলো। বাতাসে বৃষ্টির গন্ধ (শেষ পর্যন্ত বৃষ্টি আসেনি)। সেই মেঘলা দিনে লিলুয়া বাতাসের ছোঁয়ায় মনটা আবার হারিয়ে গেলো!কোথায় হারিয়ে গিয়েছিলাম এখন মনে আসছে না। মাঝেমাঝে এমন হয় কয়েক ঘন্টার আগের কথাও মনে আসে না। যাহোক সে কথা না হয় এখন বাদই দিলাম। অন্যের কষ্টের কথা ভুলে গিয়ে নিজের দিকে মন দিলাম। ক্লাস শুরু হয় 5টায় আর এখন বাজে 6টা। অনেক কষ্টে যখন আঁলিয়াস ফ্রঁসেজ-এ পৌঁছলাম তখন ক্লাস প্রায় শেষ। এখানকার পরিবেশ খুবই বন্ধুসুলভ- তাই কোন কৈফিয়ত দিতে হলো না।

ফেরার পথেও অনেক কষ্ট পোহাতে হয়েছে। সে কথা বলতে একদম ইচ্ছে করছেনা। শুধু বলি বাসায় ফিরতে যেখানে 30-40 মিনিট লাগার কথা সেখানে আজ 120 মিনিট লেগেছে।

দিনটা আজ খুব ভালোভাবে শুরু হয়েছে। কিন্তু ঐ গণ-মিছিল আমার প্রিয় সময়টাকে অপ্রিয় করে দিয়েছে।

নিথর রাতে মিটমিটে জেনাকির আলো দেখে, জ্বলছে নিভছে মনের আশা
ধন্যবাদ হে ভালোবাসা, ধন্যবাদ হে রসিকতা
বিদায় বিহনে বলেছিলে, কষ্ট পেলে তুমি দুঃখ পাবে
পরাজয়ের এই জীবন আমার, এতটুকুতে মেনেই নেবে
প্রেমের প্রলাপে প্রলেপ মেখে, বিলীন করলে মিথ্যাচারে
ধন্যবাদ হে ভালোবাসা, ধন্যবাদ এই মন ভাঙা।

Thursday, March 13, 2008

কখনো আমার মাকে

২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ রাত ৩:১৫
মা শব্দটা যে কতো প্রিয় তা কখনো ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। মা আমাদের এ ধরায় নিয়ে এসেছে। মায়ের গর্ভের নিরাপদ আশ্রয়ে কেটেছে আমাদের ভ্রুণদশা। মায়ের স্তনের অমৃত সুধা আমাদের প্রথম জীবীকা। মায়ের স্নেহের স্পর্শ এ নশ্বর পৃথিবীতে বেঁচে থাকার প্রথম মূলধন। মায়ের কতো কাছাকাছি আমাদের বসবাস, তবুও মায়ের অনেক কষ্ট আর না বলা কথা আমাদের চোখ এড়িয়ে যায়। নিজের ভালো-লাগা আর মন্দ-লাগা নিয়ে আমরা সদা ব্যস্ত থাকি। মায়ের দিকে আমাদের খেয়াল কতোখানি!!!!!

শামসুর রাহমান এর ' কখনো আমার মাকে' কবিতাখানা সেদিন শেখ জলিল আবার মনে করিয়ে দিলেন। আমার মা-কে আমিও কোনো দিনও গান গাইতে শুনিনি। তিনিও হয়তো আজীবন তাঁর সব গান দুঃখ-জাগানিয়া কোনো কাঠের সিন্দুকে বন্ধ করে রেখেছেন। আর তাই কালেভদ্রে সুর নয়, শুধু ন্যাপথলিনের তীব্র ঘ্রাণ ভেসে আসে!

কখনো আমার মাকে কোনো গান গাইতে শুনিনি।
সেই কবে শিশু রাতে ঘুৃম পাড়ানিয়া গান গেয়ে
আমাকে কখনো ঘুম পাড়াতেন কি না আজ মনেই পড়ে না।

যখন শরীরে তার বসন্তের সম্ভার আসেনি,
যখন ছিলেন তিনি ঝড়ে আম-কুড়িয়ে বেড়ানো
বয়সের কাছাকাছি হয়তো তখনো কোনো গান
লতিয়ে ওঠেনি মীড়ে মীড়ে দুপুরে সন্ধ্যায়,
পাছে গুরুজনদের কানে যায়। এবং স্বামীর

সংসারেও এসেও মা আমার সারাণ
ছিলেন নিশ্চুপ বড়ো, বড়ো বেশি নেপথ্যচারিণী। যতদূর
জানা আছে, টপ্পা কি খেয়াল তাঁকে করেনি দখল
কোনোদিন। মাছ কোটা কিংবা হলুদ বাটার ফাঁকে
অথবা বিকেলবেলা নিকিয়ে উঠোন
ধুয়ে মুছে বাসন-কোসন
সেলাইয়ের কলে ঝুঁকে, আলনায় ঝুলিয়ে কাপড়,
ছেঁড়া শার্টে রিফু কর্মে মেতে
আমাকে খেলার মাঠে পাঠিয়ে আদরে
অবসরে চুল বাঁধবার ছলে কোনো গান গেয়েছেন কি না
এতকাল কাছাকাছি আছি তবু জানতে পারিনি।

যেন তিনি সব গান দুঃখ-জাগানিয়া কোনো কাঠের সিন্দুকে
রেখেছেন বন্ধ ক'রে আজীবন, কালেভদ্রে সুর নয়, শুধু
ন্যাপথলিনের তীব্র ঘ্রাণ ভেসে আসে!

Saturday, January 5, 2008

অবশেষে শিরোনাম বলে কিছু থাকে না

ইচ্ছের মৃত্যু হয় ইচ্ছেতেই...

হে আমার আমি!জেগে উঠো আপন ইচ্ছাতেই,
সৌজন্য দেখাতে যেও না যেনো!!
অনুভূতির অনুভব ঠুনকো নয়, আর
তুমিও জানো এ সাদৃশ্য অলৌলিক কিছু নয়
এ তো সত্য। সত্যের মিল হয় পবিত্র সত্যে।
মহাশক্তি জানেন, হে আমার আমি! ভুল নয়
এ শুধুই সত্যের অনুধাবন, আর মরীচিকার মৃত্যু।

অতঃপর জেগে ওঠা আপন সত্ত্বার,
মিথ্যে নয়-
শিরোনামে কিছুই থাকে না
উপসংহার যদি সর্বোত্তম হয়।।

ইচ্ছের পুনর্জন্ম ইচ্ছেতেই।।

Saturday, December 29, 2007

বন্ধু, কী খবর বল! কতোদিন দেখা হয়নি... [প্রলাপ]


সময় চলে গেছে এবং চলেছে, চলতি জীবনের গল্প বলছে। পালটে গেলি তুই, আমিও পালটে গিয়েছি মাঝপথে হাঁটতে হাঁটতে...

বড্ড আবেগী এ হৃদয়
আক্রান্ত ক্ষরণে-
কিছু কথা কী এ নশ্বর
জীবনের মানে!

জীবন মানে হাজারো ভঙ্গুর আবেগের সমষ্টিগত সমস্যা!! অ্যাবস্ট্র্যাক্ট আবেগকে ভঙ্গুর সংজ্ঞায়িত করার দায়ভার আমার ঘাড়েই বর্তাবে; লেখালেখিতে কতো না স্বাধীনতা। আর ভার্চুয়াল লাইফ ইজ ফুল অব ফ্রিডমঃ নাথিং টু ওরি এ্যাবাউট অল দ্যা বুল শিট রুলস্‌।। কী-সব প্রলাপ বকে চলেছি, তাই না? শিরোনামের মানদন্ড রক্ষা হয়তো করা হবে না। তবুও দেখি ব্যর্থতার অজুহাত খুঁজে পাই কিনা...

সুমনের গানটা (হঠাৎ রাস্তায়...) যখন শুনছিলাম, বন্ধুদের কথা ভীষণ মনে পড়ছিলো, এখনো পড়ছে বৈকি। লুপিং টেকনলজির কারণে যখন আবার গানটা বেজে ওঠবে তখন হয়তো স্মৃতিকাতরতা পুনর্জন্মলাভ করবে। মনের ভেতরে জাগে, আমিও ভন্ড অনেকের মতো...

বন্ধুত্বের কোনো সংজ্ঞা নাই, এর পরিধি নিরুপণ করা কক্ষনো সম্ভব নয়। তবুও আমার মেজাজ চরম খারাপ হয়, যখন Friend শব্দটা যখন-তখন যেখানে-সেখানে ব্যবহার করা হয়:- এর মর্ম না বুঝেই। টু হেল উইথ দেম হু ইউজড্‌ Friend এজ মিনিংলেস রিলেশনশীপ।।

no barriers, no boundaries
but
I must say "I'm not a good friend"


এমনিই বৃষ্টিতে ভিজতাম ভিজি ভিজবো
মেঘের সাথে কোনো শত্রুতা নেই,
তীব্র রোদ মাথায়, গা জ্বলে যায় উত্তাপে
তবুও বন্ধুত্ব শুধু এক সূর্যের সাথেই....

Sunday, December 16, 2007

বিজয় দিবসে আমার ব্যর্থতা

বিজয়াল্লাসে মত্ত কোনো আমার কথা বলতে আসিনি,
হাঁক-ডাক-চিৎকারে গর্বিত পুলকিত চিত্তে মেতে উঠিনি!
গদ্য-পদ্য গঠন-নিয়মকানুন ছন্দ-মাত্রাবৃত্তে পরিমার্জিত
দুরূহ শব্দে অনুসন্ধানের গল্প সাজানোর অনুচিন্তায় চিন্তিত!

আহা,
কী সব হিজিবিজি ব্যাকরণ অলংকরণ অথবা ব্যানার সম্পাদন!
আর অসম্ভব বাস্তবতা এড়িয়ে কালিমাতে সাদা প্রলেপ লেপন।
ব্যর্থতা-

পরাধীন বাংলার ক্রন্দন থেমেছিলো একাত্তরের বলিদানে।
স্বাধীন বাংলার অবিরাম ক্রন্দন রুধির ধারা হয়ে বয়ে যায়
কেনো এ ক্ষরণ আমরা সবাই জানি, শুধু জানা-বুঝাতেই!
মুখে হাজারো বুলি আওড়াই, কাগজে শতরঙের বাহার।।

বাঙালী বলেই বারবার এ কথা শুধু মার্জনা চেয়ে বলি
মায়ের অশ্রুভেজা আঁচলে লাগে কেনো দাসত্বের ধূলি!

Wednesday, November 28, 2007

সন্ধ্যায় গানের কথা-সুরে তোমাকে..


সবকথা বলতে নেই। কিছু কথা উহ্য থাকা ভালো। গানের কথা আর সুর ছুঁয়ে যাক শুধু তাকেই যে জানে সেই গোপন কথা, যার কাছে জমা আছে সমুদ্রের দু'একটি ঢেউ।।

দু'তিন ধরে আমার শরীরটাই বেশ খারাপ যাচ্ছে। শুয়ে শুয়ে কাটাচ্ছি অসুস্থ সময়। সঞ্জীব চৌধুরী ভীষণ অসুস্থ তা জানা ছিলো। বিকেলবেলা টিভির পর্দার নীচের অংশে দেখলাম মধ্যরাতে তিনি মারা গেছেন। দুঃখ পেলাম। একটু আগে যখন একাকী বিছানায় শুয়ে আছি, তখন কিছু লাইন মনের গহীনে খেলা শুরু করলো, সেই খেলাটা অশ্রু হয়ে ঠোঁটে নোনা স্বাদ দিয়ে গেলো।

চোখটা এতো পোড়ায় কেনো, ও পোড়া চোখ সমুদ্রে যাও!
সমুদ্র কি তোমার ছেলে, আদর দিয়ে চোখে মাখাও
বুক জুড়ে এই বেজান শহর হা হা শুন্য আকাশ কাঁপাও
আকাশ ঘিরে শঙ্খচিলের শরীরচেড়া কান্না থামাও
সমুদ্র কি তোমার ছেলে, আদর দিয়ে চোখে মাখাও
আমি তোমার কান্না কুড়াই, কান্না উড়াই, কান্না তাপাই
কান্না-পানি পান করে যাই এমন মাতাল কান্না লিখি
সমুদ্র কি তোমার ছেলে, আদর দিয়ে চোখে মাখি।
চোখটা এতো পোড়ায় কেনো, ও পোড়া চোখ সমুদ্রে যাও
সমুদ্র কি তোমার ছেলে, আদর দিয়ে চোখে মাখাই

আমি পাল্টে যাচ্ছি ভীষণ করে। বেঁচে আছি শুধু এই উপলব্ধিটাই আছে। 'আমি তোমাকেই বলে দেবো' বলে আর গান গেয়ে উঠবো না। কাউকেই আর কিছু বলার নেই। জীবিত আমি আবারো মৃত হলাম বলতে গিয়েই, অনেক কম সময়ে অনেক বেশীই বলে ফেলেছিলাম। বোকা আমি! আবারো হয়তো মানুষ চিনতে ভুল করেছি। তাই পুরাতন সময়টাই আমায় হাতছানি দিয়ে ডাকে। আমিও সাড়া দিয়ে এগিয়ে যাই... বুঝি আমি হৃদয়হীন। অযথাই কড়া নেড়েছি ভুল দরজায়। দরজা কেউ খোলেনি, বরঞ্চ আমার হৃদয়টাই দুয়ার খুলে হারিয়ে গেছে।

আমি তোমাকেই বলে দেবো,সেই ভুলে ভরা গল্প-
কড়া নেড়ে গেছি ভুল দরজায়
ছুঁয়ে কান্নার রং, ছুঁয়ে জোছনার ছায়া

আমি কাউকে বলিনি সে নাম,
কেউ জানেনা না জানে আড়াল
জানে কান্নার রং, জানে জোছনার ছায়া

তবে এই হোক তীরে জাগুক প্লাবন,
দিন হোক লাবণ্য হৃদয়ে শ্রাবণ
তুমি কান্নার রং, তুমি জোছনার ছায়া

আমি তোমাকেই বলে দেবো, কী যে একা দীর্ঘ রাত-
আমি হেঁটে গেছি বিরান পথে

কতো কাজ জমা পড়ে আছে! কিছুই করা হয়নি, প্রচন্ড মাথাধরা নিয়ে বসলাম কাজ গোছাতে। কিন্তু ভীষণ একটা কষ্ট এ লেখায় আমায় নিয়ে এলো।


কথা বলবো না আগের মতো কিছু নেই
পিছু ডাকবো না, পিছু ডাকার কিছু নেই
সর্বনাশী ঝড়, বুকে উড়ে যাবার কিছু নেই
আগুনে পুড়েছি এ হাত বাড়িয়ে পুড়ে যাবার কিছু বাকি নেই

চোখ ফিরে চায়, পাতা ঝরার দিন যায়
তবু আজীবন কান্না মেঘে দিনযাপন
আমি ভালো নেই, ভালো থাকার কিছু নেই
রাখবো না ধরে যে আর ধরে রাখার কিছু নেই

পাখি অন্য ঘরে, গান গায় অন্য সুরে
এ ঘর অন্ধকার, তারার আলো কোন ঘরে
ঘরে ফিরবো না, ঘরে ফেরার কিছু নেই
রাখবো না ধরে যে আর ধরে রাখার কিছু নেই

হৃদয়হীন আমারও ভীষণ কষ্ট হচ্ছে। বুঝেছি।। আগুনে পুড়েছি এ হাত বাড়িয়ে পুড়ে যাবার কিছু বাকি নেই.. এবার আর কিছু হবার নয়, শুধু ফুরিয়ে যাওয়া।।
১৮:৫৭, ১৯ নভেম্বর ২০০৭

Tuesday, November 27, 2007

আড়াল বোধ পরাজয়


সেদিনের পর থেকেই কিছু কথা পাঠাতে গেলেই
একগাদা সংকোচবোধ তাড়া করে আমায় ;
যদিও মাঝে একবার কী যেন লিখে পাঠিয়েছি
কিন্তু সে আড়ালটা আর থাকছে না...
কবিতা ভালোবাসি, তাই কবিতা প্রতিদিন
গান ভালোবাসি, তাই চলে আসে প্রিয় গান;
যদিও মাঝে একবার কী গান যেন শুনিয়েছি
কিন্তু সে আড়ালটা আর থাকলো না...
আজ সেই আড়াল নেই
আজ সেই কথা নেই
নেই আজ সেই প্রিয় গান
কবিতাগুলিও কেমন যেন হয়ে গেছে
মাঝে মধ্যেই ধমকে উঠে....
তাই ভাবি, কেন যে এতো বুঝি!!!

Friday, November 23, 2007

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ হতে রৌদ্রদগ্ধ কালো ধোঁয়ার পথ

অশুচি আমি নিছক ভাবনার খেয়ালে শুচি হই
অবান্তর প্রশ্নটা শুধাই নিজেকে 'কেমন আছো?'
'ভালো' জবাবটা শোনালো প্রবোধের মতোই ।
হেসে ওঠি, পরম আমার জবাবটাও ঠিক তাই!
'ভালো নেই' বলতে বলতে বেশ ক্লান্ত হয়ে পড়ি
অলস আমি বলি 'ভালো'। কারণ দর্শাতে হয় না।
জোর-করা একটা হাসি নিয়ে আসি- বিভ্রান্তিকর।
মনে মনে বলি 'বোকা'। অশুচি হয়ে বলে যাই-
কারো ছোঁয়া চাই না। সুখ হোক কিংবা দুঃখ!
ভোতা কিছু অনুভূতি নিয়ে বেঁচে থাকতে চাই
সদা গতিশীল সমাজে পরিবর্তনশীল প্রাণী- মানুষ;
আদর্শ বজায় রেখে সামাজিকতা দেখাতে পারি কই!

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ ছেড়ে রৌদ্রদগ্ধ কালো ধোঁয়ার পথে
কতো ভীড়! সবার মাঝে একাকী বসে আছি বাতাস ঘেঁষে
সাদা পাতায় কালিমা লেপছি আবোল তাবোল...
ছোটলোক। ভালোবাসা বুঝিনা। পাগল। কুপমন্ডুক।
হরেক উপাধি নিয়ে বিচরণ করে বেড়াচ্ছি প্রতিনিয়ত।
শ্লোগান শ্লোগানে মুখরিত তাই সত্ত্বার ভিতর-বাহির-
"বিকৃত সময়ে বিকৃত মনোভাবে বিকৃত মানুষগুলোর রুচি
চিৎকার করি জ্বলে পুড়ে ছারখার তবুও আমি নাকি অশুচি!"

Saturday, February 17, 2007

"বাবা, আপনাকে খুব ভালোবাসি"

এ যে রক্তের সাথে রক্তের টান- স্বার্থের অনেক ঊর্ধ্বে...
"বাবা, আপনাকে খুব ভালোবাসি।" কথাটা আজ পর্যন্ত বলতে পারিনি। ছোট বেলায় বলেছিলাম কিনা মনে নেই। কিন্তু বুঝে উঠা শিখার পর বলেছি কিনা মনে পড়ে না। অথচ বাবা কতোই না আপন।
মা-কে তুমি বললেও বাবাকে সবসময় আপনি করেই বলে এসেছি। আজও বলি। দূরত্ব? তা মনে করি না। বাবার সাথে গান শুনতাম আগেও, এখনো শুনি। যার সাথে নিজের সবচেয়ে প্রিয় কাজটি শেয়ার করতে পারি, তার সাথে কীসের দূরত্ব! বাবার সাথে সম্পর্কটা ঠিক কেমন জানি, বুঝি না। পাঁচ ভাইবোনদের মধ্যে সবার ছোট আমি। আমার প্রতি সবার ভালোবাসাটা একটু বেশীই। সবার চিন্তা আমাকে নিয়ে। স্নেহের জোয়ারে এখনো ভাসি যখনতখন।
সেদিন অবরোধ ছিলো। খুব জরুরী কাজে মতিঝিল যাওয়া খুব প্রয়োজন। আম্মাকে কোনোভাবে ম্যানেজ করলাম। আব্বা কিছুতেই রাজি হলেন না। তাঁর এক কথা- “টাকা-পয়সার ক্ষতি হলে হোক, যাওয়ার কথা মুখে এনো নাÓ।
আমার এক বন্ধুর কথা বলিঃ উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার সময় সে কয়েকটা পরীক্ষা দিয়ে পলাতক হয়েছিলো (ভেবেছিলো ফেল করবে কিন্তু করেনি, এই না হইলো নটরডেমিয়ান!)। অনেকটা দেশভ্রমণের মতো। বেশ কিছুদিন পর সে বাসায় ফিরলো। তখন ওর বাবা ওকে ডেকে নিয়ে পাশে বসায়। তারপর ছেলেকে জড়িয়ে ধরে সে কী কান্না। বন্ধুটি ভাবতো, বাবা একটা কাঠখোট্টা মানুষ। তার ভুল ভাঙলো। আসলে বাবারা হয়তো আবেগ তেমন করে প্রকাশ করেন না।
বাবা- যার জন্যে মাকে পেয়েছি, আমি আমি হয়েছি, কতো ভালো চারটি ভাই-বোন পেয়েছি, অসীম ভালোবাসায় এতোদূর এসেছি, তাকে সহস্র সালাম। শুধু মুখ ফুটে বলতে পারি না "তোমাকে ভালোবাসি বাবা"।
জানাতে যতো যাই কথায় হারাই ততোই মানে, ভালোবাসি তোমায় তাই জানাই গানে...

"ছেলে আমার বড়ো হবে"
মাকে বলতো সে কথা,
"হবে মানুষের মতো মানুষ একলেখা ইতিহাসের পাতায়"
নিজ হাতে খেতে পারতাম নাবাবা বলতো,
"ও খোকা! যখন আমি থাকবো না, কী করবি রে বোকা! "
এ যে রক্তের সাথে রক্তের টান-
স্বার্থের অনেক ঊর্ধ্বে
হঠাৎ অজানা ঝড়ে তোমায় হারালাম
মাথায় আকাশ ভেঙে পড়লো;
বাবা কতোদিন কতোদিন দেখিনা তোমায়
কেউ বলেনা তোমার মতো
"কোথায় খোকা! ওরে বুকে আয়।"
বাবা কতোরাত কতোরাত দেখিনা তোমায়
কেউ বলেনা "মানিক, কোথায় আমার! ওরে বুকে আয়।"
চশমাটা তেমনি আছে,আছে লাঠি ও পাঞ্জাবী তোমার,
ইজি চেয়ারটাও আছে নেই সেখানে
অলস দেহ শুধু তোমার;
আযানের ধ্বনি আজ শুনি,
ভাঙাবে না ভোরে ঘুম জানি,
শুধু শুনি না তোমার সেই দ্বরাজ কন্ঠে পড়া
পবিত্র কুরআনের বাণী।
বাবা কতোদিন কতোদিন দেখিনা তোমায়
কেউ বলেনা তোমার মতো
"কোথায় খোকা! ওরে বুকে আয়।"
বাবা কতোরাত কতোরাত দেখিনা তোমায়
কেউ বলেনা "মানিক, কোথায় আমার! ওরে বুকে আয়।"

২০০২ এর ডিসেম্বরে যখন মা-বাবা প্রবাসে গেলেন, ভেবেছিলাম কোন ব্যাপার না। আমি হলাম আবেগহীন মানুষ। কিছুই মনেটনে পড়বে না। কাউকেই না। কিন্তু মনে পড়ে। খুব পড়ে। কাছে পাওয়ার জন্য মনটা কেমন যেনো হয়ে যায়। যখন জেমসের এ গানখানা শুনি তখন হৃদয়ক্ষরণ কে আটকায়! কিছুদিন হলো মা-বাবা দেশে ফিরেছেন। ভাবি অবসর সময়ে কোথাও যাবো না। তাঁদের সাথেই থাকবো। কিন্তু পারি না। কেমন জানি হয়ে গেছি।! সেদিন শুনলাম পথিকের বাবা অসুস্থ; পরদিন শুনি তিনি মারা গেছেন। অজান্তেই চমকে উঠলাম- আমার বাবাও তো একদিন চলে যাবেন। প্রবাসে থাকলে তো অন্তত ফোনে কথা হয়, তখন তো আর কথাও হবে না। ভাবনাগুলোকে তাড়াতে পারি না। সত্যকে একদিন বরণ করে নিতেই হবে। জীবনের একটা সত্য, সেটা হলো মৃত্যু। সবাইকে বিদায় দিতে হবে, বাবা-মা-ভাই-বোন... ভাবি যদি কাউকেই বিদায় না দেয়া লাগতো। সবার আগে আমি চলে যেতাম, তাহলে বেশ হতো।...

Wednesday, March 5, 2003

মৃত্যুর জন্যে

আজ তোমার জন্মদিন
এ দিনে তোমার আগমন
ভুলিনি
কেননা তুমি আমার বড়ই আপন।

কতজন জন্মায় প্রতিদিন
কতজন মারা যায়এ
ক একটা দিন মানেই তো জীবন-মৃত্যুর খেলা
তাহলে কি করে আমরা এমনই একটা দিনে জন্মোৎসবে মেতে উঠি ?
মেতে উঠি চরম আনন্দে!
ক্ষণিকের আনন্দে ভুলে যাই এক চরম সত্যকে
অবহেলা করি তাকে-
যে আমাকে গ্রাস করবে যে কোন ক্ষণে
হয়তো বা এখন
সে হলো মৃত্যু।
জন্মদিন তো আমার মৃত্যুদিনও হয়ে যেতে পারে,পারে না ?
তাহলে তোমরা কিভাবে জন্মদিনে আমাকে শুভেচ্ছা জানাবে ?
কেন আমি সেদিন মেতে উঠবো অহেতুক আনন্দ-উল্লাসে ?
কেন আমি সে সময়টা ব্যয় করিনা জীবন গড়তে ?
এবং মৃত্যুর জন্যে প্রস্তুত হতে ?

তাই আমার জন্মদিনে আমি আনন্দ পাই না
পাই না কোন নতুনত্বের ছোঁয়া
পাই শুধুই মৃত্যুর গন্ধ
সে আসবে আমার একটি অসতর্ক মুহূর্তে।
সে কেন আমায় হঠাৎ আঘাত হানবে ?
আমি কি পারিনা সতর্ক থাকতে ?
আমি কেন তাকে বিজয়ী হতে দেব ?
বরঞ্চ তাকে সাদরে গ্রহণ করে আমি বিজয়ী হবো।
তাই উৎসবে মেতে না উঠে আমি প্রস্তুত থাকতে চাই
সে সময়ের জন্য যখনসে আসবে আমাকে হারাতে
কিন্তু
হারবো নাচিরতরে হারিয়ে গিয়েও আমি বিজয়ী হবো।

আমারও একদিন ঘটেছিল আগমন
আসবে আবার বিদায়ের ক্ষণ
হয়তো সবাই কাঁদবে তখন।

আজ তুমি করো এ পণ
“বিজয়ী হবো আজীবন”
কেননা তুমি আমার বড়ই আপন।

লড়াই কি শুধুই বেঁচে থাকার জন্য ?
তা কি হতে পারে না মৃত্যুর জন্যে ?