অনুভূতি জুড়ে শৃংঙ্খলার ভীষণ আক্রোশ
ভুলে সকল মায়া
পিছুটানবিহীন নির্জন পথে অচেনা আমি
হৃদয়কূলে নেই প্রগাঢ় কোনো পদচ্ছাপ
মনোনদী জোয়ার ভাটায় মুছে গেছে সব
অসম্ভবের ছবি
হন্যে হয়ে খুঁজে মরি
যে আমাকে রেখে এসেছি
সব ভুলে উদাসীন আপন মুহূর্তে
পাই শুধু হারানো স্মৃতির অস্পষ্ট আদল...
পথের বোনা দুঃখ
বিবাগী কিছু ব্যথা হয়ে শেষ সীমানায়
কেন কাঁদায়, একলা ভাবনার আড়ালে
যখন সূর্য রক্তিম হয় প্রখরতা ভুলে
ধূসর হলুদ বর্ণের চাঁদ মুচকি হাসে
আপন অঙ্গনে ভেসে ওঠা নব্যরূপে
কচি সবুজ পাতার পেছনের শুদ্ধ আলো
আর
আগুনঝরা সূর্যের পেছনের শীতলতায়।।
সেপ্টেম্বর ৩, ২০০৮ @ ২৩:৫৫
Showing posts with label স্মৃতি. Show all posts
Showing posts with label স্মৃতি. Show all posts
Thursday, September 4, 2008
Friday, March 14, 2008
জন্মদিন এবং গণ-মিছিল
০৩ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১১:১৫
ঘড়িতে বিকেল 4: 55। ছত্রিশ নাম্বার বাসে চরে আঁলিয়াস ফ্রঁসেজ-এর পথে। জানালার পাশে বসে বাইরে তাকিয়ে দেখি আকাশটা ভীষণ-মন-খারাপ-করা নীল , এবং ঝলমলে রোদ; সেই সাথে প্রকৃতির নির্মল বাতাস আর বাসের গতিবেগ মিলে সৃষ্ট ঝড়ো হাওয়া। কোথায় যেন হারিয়ে গেলাম! হয়তো সিলেটের শিবগঞ্জে (আমার জন্মস্থান)। আমি আজও জানিনা আমার জন্মের দিনটা কেমন ছিলো- মেঘলা, বৃষ্টিস্নাত নাকি ঠিক আজকের মতো? আজও কাউকে জিজ্ঞেস করা হয়নি। আমার জন্মস্থানটাও বুঝে উঠার পর দেখা হয়নি। যাবো যাবো করে কতো বছর যে কেটে গেলো!!!!!
হঠাৎ বর্তমানে ফিরে এলাম। দেখি বাস বিজয়স্মরণীতে ট্রাফিক জ্যামে আটকে আছে। প্রথমে অবাক হলাম কারণ পল্লবী-ঢাকেশ্বরী রুটের বাস এখানে থাকার কথা নয়। তারপর মনে পড়লো সরকারী দলের গণ-মিছিলের কথা। মিরপুর রোড বন্ধ করে দেয়া হয়েছে তাই 36 তার নির্দিষ্ট রুট পাল্টাতে বাধ্য হয়েছে। যাহোক একে একে বেশ কয়েকটা জ্যাম (নভোথিয়েটারের সামনে, তেজগাঁও থানার সামনে, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার) হতে ছাড়া পায়ে বাংলা মোটর। বাস স্থির দাঁড়িয়ে আছে। নো নড়ন-চরন। সামনে দিয়ে বিভিন্ন ব্যানার-ফ্যাস্টুন-ব্যান্ড পার্টি নিয়ে একে একে রাস্তা অতিক্রম করছে শ্লোগানে (!!!??) মুখর জনতার সমুদ্র (!!!??) ।
মানুষের অফিস থেকে ঘরে ফেরার সময় তখন। কিন্তু ঢাকা শহর তখন রাস্তায়-রাস্তায় গাড়ির সারিতে আবদ্ধ। কারণ আজ সরকারের নেতৃত্বে গণ-মিছিলের জোয়ার উঠেছে। মন-মেজাজ খুব খারাপ হয়ে গেলো। আমার সাথে সাথে আকাশেরও মন হয়তো খারাপ হয়ে গেলো। আকাশে কালো মেঘ জমতে শুরু করলো। বাতাসে বৃষ্টির গন্ধ (শেষ পর্যন্ত বৃষ্টি আসেনি)। সেই মেঘলা দিনে লিলুয়া বাতাসের ছোঁয়ায় মনটা আবার হারিয়ে গেলো!কোথায় হারিয়ে গিয়েছিলাম এখন মনে আসছে না। মাঝেমাঝে এমন হয় কয়েক ঘন্টার আগের কথাও মনে আসে না। যাহোক সে কথা না হয় এখন বাদই দিলাম। অন্যের কষ্টের কথা ভুলে গিয়ে নিজের দিকে মন দিলাম। ক্লাস শুরু হয় 5টায় আর এখন বাজে 6টা। অনেক কষ্টে যখন আঁলিয়াস ফ্রঁসেজ-এ পৌঁছলাম তখন ক্লাস প্রায় শেষ। এখানকার পরিবেশ খুবই বন্ধুসুলভ- তাই কোন কৈফিয়ত দিতে হলো না।
ফেরার পথেও অনেক কষ্ট পোহাতে হয়েছে। সে কথা বলতে একদম ইচ্ছে করছেনা। শুধু বলি বাসায় ফিরতে যেখানে 30-40 মিনিট লাগার কথা সেখানে আজ 120 মিনিট লেগেছে।
দিনটা আজ খুব ভালোভাবে শুরু হয়েছে। কিন্তু ঐ গণ-মিছিল আমার প্রিয় সময়টাকে অপ্রিয় করে দিয়েছে।
নিথর রাতে মিটমিটে জেনাকির আলো দেখে, জ্বলছে নিভছে মনের আশা
ধন্যবাদ হে ভালোবাসা, ধন্যবাদ হে রসিকতা
বিদায় বিহনে বলেছিলে, কষ্ট পেলে তুমি দুঃখ পাবে
পরাজয়ের এই জীবন আমার, এতটুকুতে মেনেই নেবে
প্রেমের প্রলাপে প্রলেপ মেখে, বিলীন করলে মিথ্যাচারে
ধন্যবাদ হে ভালোবাসা, ধন্যবাদ এই মন ভাঙা।
ঘড়িতে বিকেল 4: 55। ছত্রিশ নাম্বার বাসে চরে আঁলিয়াস ফ্রঁসেজ-এর পথে। জানালার পাশে বসে বাইরে তাকিয়ে দেখি আকাশটা ভীষণ-মন-খারাপ-করা নীল , এবং ঝলমলে রোদ; সেই সাথে প্রকৃতির নির্মল বাতাস আর বাসের গতিবেগ মিলে সৃষ্ট ঝড়ো হাওয়া। কোথায় যেন হারিয়ে গেলাম! হয়তো সিলেটের শিবগঞ্জে (আমার জন্মস্থান)। আমি আজও জানিনা আমার জন্মের দিনটা কেমন ছিলো- মেঘলা, বৃষ্টিস্নাত নাকি ঠিক আজকের মতো? আজও কাউকে জিজ্ঞেস করা হয়নি। আমার জন্মস্থানটাও বুঝে উঠার পর দেখা হয়নি। যাবো যাবো করে কতো বছর যে কেটে গেলো!!!!!
হঠাৎ বর্তমানে ফিরে এলাম। দেখি বাস বিজয়স্মরণীতে ট্রাফিক জ্যামে আটকে আছে। প্রথমে অবাক হলাম কারণ পল্লবী-ঢাকেশ্বরী রুটের বাস এখানে থাকার কথা নয়। তারপর মনে পড়লো সরকারী দলের গণ-মিছিলের কথা। মিরপুর রোড বন্ধ করে দেয়া হয়েছে তাই 36 তার নির্দিষ্ট রুট পাল্টাতে বাধ্য হয়েছে। যাহোক একে একে বেশ কয়েকটা জ্যাম (নভোথিয়েটারের সামনে, তেজগাঁও থানার সামনে, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার) হতে ছাড়া পায়ে বাংলা মোটর। বাস স্থির দাঁড়িয়ে আছে। নো নড়ন-চরন। সামনে দিয়ে বিভিন্ন ব্যানার-ফ্যাস্টুন-ব্যান্ড পার্টি নিয়ে একে একে রাস্তা অতিক্রম করছে শ্লোগানে (!!!??) মুখর জনতার সমুদ্র (!!!??) ।
মানুষের অফিস থেকে ঘরে ফেরার সময় তখন। কিন্তু ঢাকা শহর তখন রাস্তায়-রাস্তায় গাড়ির সারিতে আবদ্ধ। কারণ আজ সরকারের নেতৃত্বে গণ-মিছিলের জোয়ার উঠেছে। মন-মেজাজ খুব খারাপ হয়ে গেলো। আমার সাথে সাথে আকাশেরও মন হয়তো খারাপ হয়ে গেলো। আকাশে কালো মেঘ জমতে শুরু করলো। বাতাসে বৃষ্টির গন্ধ (শেষ পর্যন্ত বৃষ্টি আসেনি)। সেই মেঘলা দিনে লিলুয়া বাতাসের ছোঁয়ায় মনটা আবার হারিয়ে গেলো!কোথায় হারিয়ে গিয়েছিলাম এখন মনে আসছে না। মাঝেমাঝে এমন হয় কয়েক ঘন্টার আগের কথাও মনে আসে না। যাহোক সে কথা না হয় এখন বাদই দিলাম। অন্যের কষ্টের কথা ভুলে গিয়ে নিজের দিকে মন দিলাম। ক্লাস শুরু হয় 5টায় আর এখন বাজে 6টা। অনেক কষ্টে যখন আঁলিয়াস ফ্রঁসেজ-এ পৌঁছলাম তখন ক্লাস প্রায় শেষ। এখানকার পরিবেশ খুবই বন্ধুসুলভ- তাই কোন কৈফিয়ত দিতে হলো না।
ফেরার পথেও অনেক কষ্ট পোহাতে হয়েছে। সে কথা বলতে একদম ইচ্ছে করছেনা। শুধু বলি বাসায় ফিরতে যেখানে 30-40 মিনিট লাগার কথা সেখানে আজ 120 মিনিট লেগেছে।
দিনটা আজ খুব ভালোভাবে শুরু হয়েছে। কিন্তু ঐ গণ-মিছিল আমার প্রিয় সময়টাকে অপ্রিয় করে দিয়েছে।
নিথর রাতে মিটমিটে জেনাকির আলো দেখে, জ্বলছে নিভছে মনের আশা
ধন্যবাদ হে ভালোবাসা, ধন্যবাদ হে রসিকতা
বিদায় বিহনে বলেছিলে, কষ্ট পেলে তুমি দুঃখ পাবে
পরাজয়ের এই জীবন আমার, এতটুকুতে মেনেই নেবে
প্রেমের প্রলাপে প্রলেপ মেখে, বিলীন করলে মিথ্যাচারে
ধন্যবাদ হে ভালোবাসা, ধন্যবাদ এই মন ভাঙা।
Thursday, March 13, 2008
কী মানুষকে মানুষে পরিণত করে?
৩০ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:৪৭
What makes a man a man?
A friend of mine once wondered.
Is it his origins?
The way he comes to life?
I don't think so.
It's the choices he makes-
Not how he starts things,
But how he decides to end them.
What makes a man a man?
A friend of mine once wondered.
Is it his origins?
The way he comes to life?
I don't think so.
It's the choices he makes-
Not how he starts things,
But how he decides to end them.
কখনো আমার মাকে
২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ রাত ৩:১৫
মা শব্দটা যে কতো প্রিয় তা কখনো ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। মা আমাদের এ ধরায় নিয়ে এসেছে। মায়ের গর্ভের নিরাপদ আশ্রয়ে কেটেছে আমাদের ভ্রুণদশা। মায়ের স্তনের অমৃত সুধা আমাদের প্রথম জীবীকা। মায়ের স্নেহের স্পর্শ এ নশ্বর পৃথিবীতে বেঁচে থাকার প্রথম মূলধন। মায়ের কতো কাছাকাছি আমাদের বসবাস, তবুও মায়ের অনেক কষ্ট আর না বলা কথা আমাদের চোখ এড়িয়ে যায়। নিজের ভালো-লাগা আর মন্দ-লাগা নিয়ে আমরা সদা ব্যস্ত থাকি। মায়ের দিকে আমাদের খেয়াল কতোখানি!!!!!
শামসুর রাহমান এর ' কখনো আমার মাকে' কবিতাখানা সেদিন শেখ জলিল আবার মনে করিয়ে দিলেন। আমার মা-কে আমিও কোনো দিনও গান গাইতে শুনিনি। তিনিও হয়তো আজীবন তাঁর সব গান দুঃখ-জাগানিয়া কোনো কাঠের সিন্দুকে বন্ধ করে রেখেছেন। আর তাই কালেভদ্রে সুর নয়, শুধু ন্যাপথলিনের তীব্র ঘ্রাণ ভেসে আসে!
কখনো আমার মাকে কোনো গান গাইতে শুনিনি।
সেই কবে শিশু রাতে ঘুৃম পাড়ানিয়া গান গেয়ে
আমাকে কখনো ঘুম পাড়াতেন কি না আজ মনেই পড়ে না।
যখন শরীরে তার বসন্তের সম্ভার আসেনি,
যখন ছিলেন তিনি ঝড়ে আম-কুড়িয়ে বেড়ানো
বয়সের কাছাকাছি হয়তো তখনো কোনো গান
লতিয়ে ওঠেনি মীড়ে মীড়ে দুপুরে সন্ধ্যায়,
পাছে গুরুজনদের কানে যায়। এবং স্বামীর
সংসারেও এসেও মা আমার সারাণ
ছিলেন নিশ্চুপ বড়ো, বড়ো বেশি নেপথ্যচারিণী। যতদূর
জানা আছে, টপ্পা কি খেয়াল তাঁকে করেনি দখল
কোনোদিন। মাছ কোটা কিংবা হলুদ বাটার ফাঁকে
অথবা বিকেলবেলা নিকিয়ে উঠোন
ধুয়ে মুছে বাসন-কোসন
সেলাইয়ের কলে ঝুঁকে, আলনায় ঝুলিয়ে কাপড়,
ছেঁড়া শার্টে রিফু কর্মে মেতে
আমাকে খেলার মাঠে পাঠিয়ে আদরে
অবসরে চুল বাঁধবার ছলে কোনো গান গেয়েছেন কি না
এতকাল কাছাকাছি আছি তবু জানতে পারিনি।
যেন তিনি সব গান দুঃখ-জাগানিয়া কোনো কাঠের সিন্দুকে
রেখেছেন বন্ধ ক'রে আজীবন, কালেভদ্রে সুর নয়, শুধু
শামসুর রাহমান এর ' কখনো আমার মাকে' কবিতাখানা সেদিন শেখ জলিল আবার মনে করিয়ে দিলেন। আমার মা-কে আমিও কোনো দিনও গান গাইতে শুনিনি। তিনিও হয়তো আজীবন তাঁর সব গান দুঃখ-জাগানিয়া কোনো কাঠের সিন্দুকে বন্ধ করে রেখেছেন। আর তাই কালেভদ্রে সুর নয়, শুধু ন্যাপথলিনের তীব্র ঘ্রাণ ভেসে আসে!
কখনো আমার মাকে কোনো গান গাইতে শুনিনি।
সেই কবে শিশু রাতে ঘুৃম পাড়ানিয়া গান গেয়ে
আমাকে কখনো ঘুম পাড়াতেন কি না আজ মনেই পড়ে না।
যখন শরীরে তার বসন্তের সম্ভার আসেনি,
যখন ছিলেন তিনি ঝড়ে আম-কুড়িয়ে বেড়ানো
বয়সের কাছাকাছি হয়তো তখনো কোনো গান
লতিয়ে ওঠেনি মীড়ে মীড়ে দুপুরে সন্ধ্যায়,
পাছে গুরুজনদের কানে যায়। এবং স্বামীর
সংসারেও এসেও মা আমার সারাণ
ছিলেন নিশ্চুপ বড়ো, বড়ো বেশি নেপথ্যচারিণী। যতদূর
জানা আছে, টপ্পা কি খেয়াল তাঁকে করেনি দখল
কোনোদিন। মাছ কোটা কিংবা হলুদ বাটার ফাঁকে
অথবা বিকেলবেলা নিকিয়ে উঠোন
ধুয়ে মুছে বাসন-কোসন
সেলাইয়ের কলে ঝুঁকে, আলনায় ঝুলিয়ে কাপড়,
ছেঁড়া শার্টে রিফু কর্মে মেতে
আমাকে খেলার মাঠে পাঠিয়ে আদরে
অবসরে চুল বাঁধবার ছলে কোনো গান গেয়েছেন কি না
এতকাল কাছাকাছি আছি তবু জানতে পারিনি।
যেন তিনি সব গান দুঃখ-জাগানিয়া কোনো কাঠের সিন্দুকে
রেখেছেন বন্ধ ক'রে আজীবন, কালেভদ্রে সুর নয়, শুধু
ন্যাপথলিনের তীব্র ঘ্রাণ ভেসে আসে!
Wednesday, March 12, 2008
হোস্টেল -৩ এবং কিছু কথা
১৮ ই আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৩:৩২
ছিঁড়ে গেলো বাঁধন
ছিলাম হোস্টেলে একসাথে ক'জন
যার যার বাড়ি- যার যার ঘর
হয়ে গেলাম সবাই এখন পর !?
(মার্চ ২০০২ ডায়েরীর পাতা হতে)
আমরা হোস্টোলে ছিলাম ১৫ জন। এছাড়াও জুনিয়র ব্যাচের ছাত্ররা কয়েকমাস পরেই আমাদের সাথে যোগ হয়। সব মিলিয়ে কতজন ছিলাম ঠিক বলতে পারবো না। আজও কয়েকজনের সাথে দেখা হয়। সেই কয়েকজনের মধ্যে আবার কিছু আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু। আমার বন্ধুর সংখ্যা খুবই কম। স্কুলের বন্ধু একজন (যে বর্তমানে সেনাবাহিনীতে); কলেজের বন্ধু ৫ জন। এর মধ্যে ২ জন আবার প্রাণপ্রিয়। এখানে বলে রাখা উচিৎ, বন্ধু হিসেবে আমি খুব একটা ভালো নই। বন্ধু আরো আছে- স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে। তাদের কথা আজ নাই বা বললাম। আজ শুধু হোস্টেলের বন্ধুদের কথাই বললাম যাদের কয়েকজন কোথায় আছে জানিনা।
ছিঁড়ে গেলো বাঁধন
ছিলাম হোস্টেলে একসাথে ক'জন
যার যার বাড়ি- যার যার ঘর
হয়ে গেলাম সবাই এখন পর !?
(মার্চ ২০০২ ডায়েরীর পাতা হতে)
আমরা হোস্টোলে ছিলাম ১৫ জন। এছাড়াও জুনিয়র ব্যাচের ছাত্ররা কয়েকমাস পরেই আমাদের সাথে যোগ হয়। সব মিলিয়ে কতজন ছিলাম ঠিক বলতে পারবো না। আজও কয়েকজনের সাথে দেখা হয়। সেই কয়েকজনের মধ্যে আবার কিছু আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু। আমার বন্ধুর সংখ্যা খুবই কম। স্কুলের বন্ধু একজন (যে বর্তমানে সেনাবাহিনীতে); কলেজের বন্ধু ৫ জন। এর মধ্যে ২ জন আবার প্রাণপ্রিয়। এখানে বলে রাখা উচিৎ, বন্ধু হিসেবে আমি খুব একটা ভালো নই। বন্ধু আরো আছে- স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে। তাদের কথা আজ নাই বা বললাম। আজ শুধু হোস্টেলের বন্ধুদের কথাই বললাম যাদের কয়েকজন কোথায় আছে জানিনা।
হোস্টেল- ২
১৭ ই আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:২৩
হয়ে যাচ্ছে বিচ্ছেদ
ছিঁড়ে যাচ্ছে এ বাঁধন
মনে পড়ে যায় লিখেছিলাম
হোস্টেলে একসাথে ক'জন।
এবার সময় এসেছে
ক্ষমা চাওয়া আর পাওয়ার
ক্ষমা স্বর্গীয়। কিন্তু
মানুষের স্বভাবই তো ভুল করার!
তবুও কষ্ট দিয়ে যে কষ্ট
পেয়েছে অন্তর
সে কষ্ট তো থেকে যাবেজন্ম - জন্মান্তর।
(৩০ ১১ ২০০১ ডায়েরীর পাতা হতে)
হয়ে যাচ্ছে বিচ্ছেদ
ছিঁড়ে যাচ্ছে এ বাঁধন
মনে পড়ে যায় লিখেছিলাম
হোস্টেলে একসাথে ক'জন।
এবার সময় এসেছে
ক্ষমা চাওয়া আর পাওয়ার
ক্ষমা স্বর্গীয়। কিন্তু
মানুষের স্বভাবই তো ভুল করার!
তবুও কষ্ট দিয়ে যে কষ্ট
পেয়েছে অন্তর
সে কষ্ট তো থেকে যাবেজন্ম - জন্মান্তর।
(৩০ ১১ ২০০১ ডায়েরীর পাতা হতে)
হোস্টেল – ১
১৬ ই আগস্ট, ২০০৬ ভোর ৪:৩২
থাকি আমরা একসাথে ক'জন
যদিও জানি ছিড়ে যাবে এ বাঁধন।
কতো না হাসি-তামাশা
যেখানে নিষিদ্ধ ছিলো হতাশা।
থাকতে পারি না মোরা একা
যেন একে অপরের চিরদিনের সখা।
ছোট্ট ছোট্ট কথা আর কথা কাটাকাটি
মাঝে মাঝে আবার একটু হাতাহাতি।
সময় কেটে যায়, বয়ে যায় বেলা
থামবে না সময়ের এ খেলা।
তাই জানি ছিড়ে যাবে এ বাঁধন
তবুও হোস্টেলে আমরা এই ক'জন।।
(২৯ ০৬ ২০০১ ডায়েরীর পাতা হতে)
থাকি আমরা একসাথে ক'জন
যদিও জানি ছিড়ে যাবে এ বাঁধন।
কতো না হাসি-তামাশা
যেখানে নিষিদ্ধ ছিলো হতাশা।
থাকতে পারি না মোরা একা
যেন একে অপরের চিরদিনের সখা।
ছোট্ট ছোট্ট কথা আর কথা কাটাকাটি
মাঝে মাঝে আবার একটু হাতাহাতি।
সময় কেটে যায়, বয়ে যায় বেলা
থামবে না সময়ের এ খেলা।
তাই জানি ছিড়ে যাবে এ বাঁধন
তবুও হোস্টেলে আমরা এই ক'জন।।
(২৯ ০৬ ২০০১ ডায়েরীর পাতা হতে)
হঠাৎ - ৩
০৮ ই আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৩:১৬
হঠাৎ করেই মনে পড়ে অপূর্ণ কিছু স্বপ্ন
আশার বাঁধে বেঁধেছিলাম সুখের কিছু লগ্ন।
হঠাৎ করেই ভেসে আসে ফেলে আসা অতীত
সবকিছুই যখন ছিলো প্রশ্নাতীত।
আমি খুঁজিনি কখনো আকাশের মানে
তবুও হঠাৎ হারিয়ে যেতাম কিসের টানে!
ভাবছি বসে হঠাৎ করেই
হঠাৎ অতীত আসবে ফিরে
ডাকবে আমায় আবার পথের ধারে...
হঠাৎ করেই মনে পড়ে অপূর্ণ কিছু স্বপ্ন
আশার বাঁধে বেঁধেছিলাম সুখের কিছু লগ্ন।
হঠাৎ করেই ভেসে আসে ফেলে আসা অতীত
সবকিছুই যখন ছিলো প্রশ্নাতীত।
আমি খুঁজিনি কখনো আকাশের মানে
তবুও হঠাৎ হারিয়ে যেতাম কিসের টানে!
ভাবছি বসে হঠাৎ করেই
হঠাৎ অতীত আসবে ফিরে
ডাকবে আমায় আবার পথের ধারে...
হঠাৎ - ২
২৯ শে জুলাই, ২০০৬ বিকাল ৫:৪৭
হঠাৎ করেই আবার মনে পড়ে-
ফেলে আসা কিছু সময়,
যে মুহূর্তগুলো হঠাৎ করেই দিয়েছিলো আনন্দ
হঠাৎ করেই আবার মনে পড়ে-
ফেলে আসা কিছু সময়,
যে মুহূর্তগুলো হঠাৎ করেই দিয়েছিলো আনন্দ
কখনো বা দুঃখ।
মনে পড়ে প্রিয় কিছু কথা–
যা শুনা হয়নি এখনো.....
মনে পড়ে প্রিয় কিছু কথা–
যা শুনা হয়নি এখনো.....
হঠাৎ - ১
২৮ শে জুলাই, ২০০৬ বিকাল ৫:৩৩
হঠাৎ করেই কতোকিছু-
হঠাৎ করেই মন খারাপ করে
হঠাৎ করেই ভালো লাগে
ভালোবাসি হঠাৎ করেই
হঠাৎ আছে বলেই এই বেঁচে থাকা
আবার হঠাৎ করেই মৃত্যু।
হঠাৎ করেই কতোকিছু-
হঠাৎ করেই মন খারাপ করে
হঠাৎ করেই ভালো লাগে
ভালোবাসি হঠাৎ করেই
হঠাৎ আছে বলেই এই বেঁচে থাকা
আবার হঠাৎ করেই মৃত্যু।
Saturday, December 29, 2007
বন্ধু, কী খবর বল! কতোদিন দেখা হয়নি... [প্রলাপ]
সময় চলে গেছে এবং চলেছে, চলতি জীবনের গল্প বলছে। পালটে গেলি তুই, আমিও পালটে গিয়েছি মাঝপথে হাঁটতে হাঁটতে...
বড্ড আবেগী এ হৃদয়
আক্রান্ত ক্ষরণে-
কিছু কথা কী এ নশ্বর
জীবনের মানে!
জীবন মানে হাজারো ভঙ্গুর আবেগের সমষ্টিগত সমস্যা!! অ্যাবস্ট্র্যাক্ট আবেগকে ভঙ্গুর সংজ্ঞায়িত করার দায়ভার আমার ঘাড়েই বর্তাবে; লেখালেখিতে কতো না স্বাধীনতা। আর ভার্চুয়াল লাইফ ইজ ফুল অব ফ্রিডমঃ নাথিং টু ওরি এ্যাবাউট অল দ্যা বুল শিট রুলস্।। কী-সব প্রলাপ বকে চলেছি, তাই না? শিরোনামের মানদন্ড রক্ষা হয়তো করা হবে না। তবুও দেখি ব্যর্থতার অজুহাত খুঁজে পাই কিনা...
সুমনের গানটা (হঠাৎ রাস্তায়...) যখন শুনছিলাম, বন্ধুদের কথা ভীষণ মনে পড়ছিলো, এখনো পড়ছে বৈকি। লুপিং টেকনলজির কারণে যখন আবার গানটা বেজে ওঠবে তখন হয়তো স্মৃতিকাতরতা পুনর্জন্মলাভ করবে। মনের ভেতরে জাগে, আমিও ভন্ড অনেকের মতো...
বন্ধুত্বের কোনো সংজ্ঞা নাই, এর পরিধি নিরুপণ করা কক্ষনো সম্ভব নয়। তবুও আমার মেজাজ চরম খারাপ হয়, যখন Friend শব্দটা যখন-তখন যেখানে-সেখানে ব্যবহার করা হয়:- এর মর্ম না বুঝেই। টু হেল উইথ দেম হু ইউজড্ Friend এজ মিনিংলেস রিলেশনশীপ।।
no barriers, no boundaries
but
I must say "I'm not a good friend"
এমনিই বৃষ্টিতে ভিজতাম ভিজি ভিজবো
মেঘের সাথে কোনো শত্রুতা নেই,
তীব্র রোদ মাথায়, গা জ্বলে যায় উত্তাপে
তবুও বন্ধুত্ব শুধু এক সূর্যের সাথেই....
Wednesday, November 28, 2007
সন্ধ্যায় গানের কথা-সুরে তোমাকে..

সবকথা বলতে নেই। কিছু কথা উহ্য থাকা ভালো। গানের কথা আর সুর ছুঁয়ে যাক শুধু তাকেই যে জানে সেই গোপন কথা, যার কাছে জমা আছে সমুদ্রের দু'একটি ঢেউ।।
দু'তিন ধরে আমার শরীরটাই বেশ খারাপ যাচ্ছে। শুয়ে শুয়ে কাটাচ্ছি অসুস্থ সময়। সঞ্জীব চৌধুরী ভীষণ অসুস্থ তা জানা ছিলো। বিকেলবেলা টিভির পর্দার নীচের অংশে দেখলাম মধ্যরাতে তিনি মারা গেছেন। দুঃখ পেলাম। একটু আগে যখন একাকী বিছানায় শুয়ে আছি, তখন কিছু লাইন মনের গহীনে খেলা শুরু করলো, সেই খেলাটা অশ্রু হয়ে ঠোঁটে নোনা স্বাদ দিয়ে গেলো।
আমি পাল্টে যাচ্ছি ভীষণ করে। বেঁচে আছি শুধু এই উপলব্ধিটাই আছে। 'আমি তোমাকেই বলে দেবো' বলে আর গান গেয়ে উঠবো না। কাউকেই আর কিছু বলার নেই। জীবিত আমি আবারো মৃত হলাম বলতে গিয়েই, অনেক কম সময়ে অনেক বেশীই বলে ফেলেছিলাম। বোকা আমি! আবারো হয়তো মানুষ চিনতে ভুল করেছি। তাই পুরাতন সময়টাই আমায় হাতছানি দিয়ে ডাকে। আমিও সাড়া দিয়ে এগিয়ে যাই... বুঝি আমি হৃদয়হীন। অযথাই কড়া নেড়েছি ভুল দরজায়। দরজা কেউ খোলেনি, বরঞ্চ আমার হৃদয়টাই দুয়ার খুলে হারিয়ে গেছে।
আমি তোমাকেই বলে দেবো,সেই ভুলে ভরা গল্প-
কড়া নেড়ে গেছি ভুল দরজায়
কড়া নেড়ে গেছি ভুল দরজায়
ছুঁয়ে কান্নার রং, ছুঁয়ে জোছনার ছায়া
আমি কাউকে বলিনি সে নাম,
কেউ জানেনা না জানে আড়াল
জানে কান্নার রং, জানে জোছনার ছায়া
তবে এই হোক তীরে জাগুক প্লাবন,
তবে এই হোক তীরে জাগুক প্লাবন,
দিন হোক লাবণ্য হৃদয়ে শ্রাবণ
তুমি কান্নার রং, তুমি জোছনার ছায়া
আমি তোমাকেই বলে দেবো, কী যে একা দীর্ঘ রাত-
আমি হেঁটে গেছি বিরান পথে
আমি তোমাকেই বলে দেবো, কী যে একা দীর্ঘ রাত-
আমি হেঁটে গেছি বিরান পথে
আমি তোমাকেই বলে দেবো, সেই ভুলে ভরা গল্প-
কড়া নেড়ে গেছি ভুল দরজায়
কড়া নেড়ে গেছি ভুল দরজায়
কতো কাজ জমা পড়ে আছে! কিছুই করা হয়নি, প্রচন্ড মাথাধরা নিয়ে বসলাম কাজ গোছাতে। কিন্তু ভীষণ একটা কষ্ট এ লেখায় আমায় নিয়ে এলো।
হৃদয়হীন আমারও ভীষণ কষ্ট হচ্ছে। বুঝেছি।। আগুনে পুড়েছি এ হাত বাড়িয়ে পুড়ে যাবার কিছু বাকি নেই.. এবার আর কিছু হবার নয়, শুধু ফুরিয়ে যাওয়া।।
১৮:৫৭, ১৯ নভেম্বর ২০০৭
Subscribe to:
Posts (Atom)