Wednesday, March 12, 2008

কান্না এবং মৃন্ময়

০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৬ সকাল ৮:৩২

১. কান্নার কাছে নিবেদন


কেন তুমি এত দূরে?
কেন তুমি নেই এই দু'চোখে?
কেন তুমি দিচ্ছ আমায় কষ্ট?
কষ্ট দিয়ে দিয়ে করছো আমায় নষ্ট!
নষ্ট হয়ে যাচ্ছি ক্ষয়ে দিনকে দিন;
কত জনায় পায় কত অশ্রুর ঋণ।
ঋণের বোঝায় হয়ে গেছি নত
কতকিছুর দংশন সইছি অবিরত।
অবিরত যাচ্ছি বলে তোমায়...
এখনো তুমি দাওনি দেখা আমায়।
তুমি কেন এত দূরে?
কখন আসবে দু'চোখে?
মুছে যাবে সব কষ্ট
হবো না আমি আর পথভ্রষ্ট।

২. মৃন্ময়, তোমাকে বলছি


যদি ডাকো-
মিনতি ভরা হৃদয়ে যদি ডাকো মোরে
যদি সেই ডাকে ফুটে উঠে আকুতি
যদি ডাকো মোরে-
দূরে ফেলে সব হতাশা-বেদনা
হাসি আর আনন্দকে বুকে ধরে
যদি একান্তই ডাকো মোরে-
দেখা দেবো,
দেখা দেবো তোমার দু'চোখে।।

(রচনাঃ ২০০১)

আমার কাছে ১৫ আগস্ট

১৫ ই আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১:০৩

১৫ আগস্ট মানে নয় মাইকে ফুল ভলিয়্যুমে ভাষণ,
১৫ আগস্ট মানে নয় কাঙালিভোজের আয়োজন,
১৫ আগস্ট মানে নয় কালোবেজ ধারণ,
১৫ আগস্ট মানে নয় 'বিচার চাই' শ্লোগান,
১৫ আগস্ট মানে নয় দেয়াল লিখন,
১৫ আগস্ট মানে নয় শ্রদ্ধাঞ্জলীর তোরণ।

১৫ আগস্ট মানে অনিষ্ট-দুর্নীতির সহমরণ,
১৫ আগস্ট মানে সন্ত্রাস রাহাজানি দমন,
১৫ আগস্ট মানে 'সুস্থ বাংলা' শপথ গ্রহণ,
১৫ আগস্ট মানে হারানো বাংলার অনুসন্ধান,
১৫ আগস্ট মানে আপামর জনতার পুনজাগরণ,
১৫ আগস্ট মানে অসত্যের বিরুদ্ধে লড়াই আমরণ।

হোস্টেল -৩ এবং কিছু কথা

১৮ ই আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৩:৩২

ছিঁড়ে গেলো বাঁধন
ছিলাম হোস্টেলে একসাথে ক'জন
যার যার বাড়ি- যার যার ঘর
হয়ে গেলাম সবাই এখন পর !?

(মার্চ ২০০২ ডায়েরীর পাতা হতে)

আমরা হোস্টোলে ছিলাম ১৫ জন। এছাড়াও জুনিয়র ব্যাচের ছাত্ররা কয়েকমাস পরেই আমাদের সাথে যোগ হয়। সব মিলিয়ে কতজন ছিলাম ঠিক বলতে পারবো না। আজও কয়েকজনের সাথে দেখা হয়। সেই কয়েকজনের মধ্যে আবার কিছু আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু। আমার বন্ধুর সংখ্যা খুবই কম। স্কুলের বন্ধু একজন (যে বর্তমানে সেনাবাহিনীতে); কলেজের বন্ধু ৫ জন। এর মধ্যে ২ জন আবার প্রাণপ্রিয়। এখানে বলে রাখা উচিৎ, বন্ধু হিসেবে আমি খুব একটা ভালো নই। বন্ধু আরো আছে- স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে। তাদের কথা আজ নাই বা বললাম। আজ শুধু হোস্টেলের বন্ধুদের কথাই বললাম যাদের কয়েকজন কোথায় আছে জানিনা।

হোস্টেল- ২

১৭ ই আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:২৩

হয়ে যাচ্ছে বিচ্ছেদ
ছিঁড়ে যাচ্ছে এ বাঁধন
মনে পড়ে যায় লিখেছিলাম
হোস্টেলে একসাথে ক'জন।
এবার সময় এসেছে
ক্ষমা চাওয়া আর পাওয়ার
ক্ষমা স্বর্গীয়। কিন্তু
মানুষের স্বভাবই তো ভুল করার!

তবুও কষ্ট দিয়ে যে কষ্ট
পেয়েছে অন্তর
সে কষ্ট তো থেকে যাবেজন্ম - জন্মান্তর।

(৩০ ১১ ২০০১ ডায়েরীর পাতা হতে)

হোস্টেল – ১

১৬ ই আগস্ট, ২০০৬ ভোর ৪:৩২

থাকি আমরা একসাথে ক'জন
যদিও জানি ছিড়ে যাবে এ বাঁধন।
কতো না হাসি-তামাশা
যেখানে নিষিদ্ধ ছিলো হতাশা।
থাকতে পারি না মোরা একা
যেন একে অপরের চিরদিনের সখা।
ছোট্ট ছোট্ট কথা আর কথা কাটাকাটি
মাঝে মাঝে আবার একটু হাতাহাতি।
সময় কেটে যায়, বয়ে যায় বেলা
থামবে না সময়ের এ খেলা।
তাই জানি ছিড়ে যাবে এ বাঁধন
তবুও হোস্টেলে আমরা এই ক'জন।।

(২৯ ০৬ ২০০১ ডায়েরীর পাতা হতে)

বিক্ষিপ্ত ভাবনা

০৫ ই আগস্ট, ২০০৬ সকাল ৭:৫৫

অনেকের মাঝে একজন
অতি সাধারণ
ঘুণপোকা
শত কোলাহল
ব্যস্ত পৃথিবী
এই আমি একা
আকাশ ছুঁয়েছে যে সমুদ্র
শত শত পাখি
সাগরের ঢেউ গুনি
ভিজে যায় পা
হৃদয়ে কাতরতা
ভাঙনের বীজ বুনি...

কে আমি?

০৬ ই আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:৩১

মদের গেলাস হাতে
মধ্যরাতে
এলোমেলো
অগোছালো
এক মাতাল আমি
ঘর আছে ঠিকানা নেই
ঠিকানা আছে আমি নেই
কোন অতলে হারিয়ে যাচ্ছি...

জানি না।।

ইচ্ছে!?

০৭ ই আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:৪৩

চাই শুধু নিস্তব্ধতা
চাই শুধু নীরবতা
চাই না নিরাপত্তা
চাই না একক সত্ত্বা
চাই শুধু, শুধুই মিথ্যা
চাই না সত্য-সততা
চাই না হাসতে, হাসাতে
চাই শুধু কাঁদতে, কাঁদাতে।।

হঠাৎ - ৩

০৮ ই আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৩:১৬

হঠাৎ করেই মনে পড়ে অপূর্ণ কিছু স্বপ্ন
আশার বাঁধে বেঁধেছিলাম সুখের কিছু লগ্ন।

হঠাৎ করেই ভেসে আসে ফেলে আসা অতীত
সবকিছুই যখন ছিলো প্রশ্নাতীত।

আমি খুঁজিনি কখনো আকাশের মানে
তবুও হঠাৎ হারিয়ে যেতাম কিসের টানে!

ভাবছি বসে হঠাৎ করেই
হঠাৎ অতীত আসবে ফিরে
ডাকবে আমায় আবার পথের ধারে...

হঠাৎ - ২

২৯ শে জুলাই, ২০০৬ বিকাল ৫:৪৭

হঠাৎ করেই আবার মনে পড়ে-
ফেলে আসা কিছু সময়,
যে মুহূর্তগুলো হঠাৎ করেই দিয়েছিলো আনন্দ
কখনো বা দুঃখ।
মনে পড়ে প্রিয় কিছু কথা–
যা শুনা হয়নি এখনো.....