Wednesday, March 12, 2008

হোস্টেল – ১

১৬ ই আগস্ট, ২০০৬ ভোর ৪:৩২

থাকি আমরা একসাথে ক'জন
যদিও জানি ছিড়ে যাবে এ বাঁধন।
কতো না হাসি-তামাশা
যেখানে নিষিদ্ধ ছিলো হতাশা।
থাকতে পারি না মোরা একা
যেন একে অপরের চিরদিনের সখা।
ছোট্ট ছোট্ট কথা আর কথা কাটাকাটি
মাঝে মাঝে আবার একটু হাতাহাতি।
সময় কেটে যায়, বয়ে যায় বেলা
থামবে না সময়ের এ খেলা।
তাই জানি ছিড়ে যাবে এ বাঁধন
তবুও হোস্টেলে আমরা এই ক'জন।।

(২৯ ০৬ ২০০১ ডায়েরীর পাতা হতে)

বিক্ষিপ্ত ভাবনা

০৫ ই আগস্ট, ২০০৬ সকাল ৭:৫৫

অনেকের মাঝে একজন
অতি সাধারণ
ঘুণপোকা
শত কোলাহল
ব্যস্ত পৃথিবী
এই আমি একা
আকাশ ছুঁয়েছে যে সমুদ্র
শত শত পাখি
সাগরের ঢেউ গুনি
ভিজে যায় পা
হৃদয়ে কাতরতা
ভাঙনের বীজ বুনি...

কে আমি?

০৬ ই আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:৩১

মদের গেলাস হাতে
মধ্যরাতে
এলোমেলো
অগোছালো
এক মাতাল আমি
ঘর আছে ঠিকানা নেই
ঠিকানা আছে আমি নেই
কোন অতলে হারিয়ে যাচ্ছি...

জানি না।।

ইচ্ছে!?

০৭ ই আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:৪৩

চাই শুধু নিস্তব্ধতা
চাই শুধু নীরবতা
চাই না নিরাপত্তা
চাই না একক সত্ত্বা
চাই শুধু, শুধুই মিথ্যা
চাই না সত্য-সততা
চাই না হাসতে, হাসাতে
চাই শুধু কাঁদতে, কাঁদাতে।।

হঠাৎ - ৩

০৮ ই আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৩:১৬

হঠাৎ করেই মনে পড়ে অপূর্ণ কিছু স্বপ্ন
আশার বাঁধে বেঁধেছিলাম সুখের কিছু লগ্ন।

হঠাৎ করেই ভেসে আসে ফেলে আসা অতীত
সবকিছুই যখন ছিলো প্রশ্নাতীত।

আমি খুঁজিনি কখনো আকাশের মানে
তবুও হঠাৎ হারিয়ে যেতাম কিসের টানে!

ভাবছি বসে হঠাৎ করেই
হঠাৎ অতীত আসবে ফিরে
ডাকবে আমায় আবার পথের ধারে...

হঠাৎ - ২

২৯ শে জুলাই, ২০০৬ বিকাল ৫:৪৭

হঠাৎ করেই আবার মনে পড়ে-
ফেলে আসা কিছু সময়,
যে মুহূর্তগুলো হঠাৎ করেই দিয়েছিলো আনন্দ
কখনো বা দুঃখ।
মনে পড়ে প্রিয় কিছু কথা–
যা শুনা হয়নি এখনো.....

হঠাৎ - ১

২৮ শে জুলাই, ২০০৬ বিকাল ৫:৩৩

হঠাৎ করেই কতোকিছু-
হঠাৎ করেই মন খারাপ করে
হঠাৎ করেই ভালো লাগে
ভালোবাসি হঠাৎ করেই
হঠাৎ আছে বলেই এই বেঁচে থাকা
আবার হঠাৎ করেই মৃত্যু।

সেই তুমি আজ

২৯ শে জুলাই, ২০০৬ রাত ৩:৫৮

বহুদিন পর দেখা হলো তোমার সাথে-
যাবার পথে।
এতোদিনে কেটে গেছে-
উড়ে উড়ে ভেসে গেছে
প্রায় তেরশ বছর।
তুমিও অনেকটা বুড়িয়ে গেছো।
ভাবিনি, তবুও আবার
পেলাম তোমার দেখা,
যে তুমি ছিলে আড়ালে- অদেখা।
কিন্তু এতটাই বুড়িয়ে গেলে এখন!

তোমাকেই দেখেছিলাম আমি
প্রথমবার চোখ মেলে
সেই তোমাকেই চেয়েছিলাম দেখতে
চোখ বোজার মুহূর্তে।

সেই তুমি আজ এতটা জীর্ণ!
তুমিও রেহাই পাওনি !

হে বিধাতা!
তুমি এতটাই নিষ্ঠুর কেন??

অবশেষে...

২৮ শে জুলাই, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:৪০

ঘুমন্ত শহর।
জাগ্রত আমি।
আযানের ধ্বনি।
নিঃশব্দ গানের সুর।
ফুটে উঠা ভোরের আলো।

অবশেষে
মনে উঁকি দেয় সুপ্ত পাপ আমার।।

একাকীত্ব আর আমি

২৯ শে জুলাই, ২০০৬ বিকাল ৪:৫৮

একাকীত্ব মানুষকে কবিতা লিখতে শেখায়?
কবিতাকে সঙ্গী করে নিতে পারে কি একাকী মানুষ?
নাকি কবিতা বুঝিয়ে দেয়: মানুষ তুমি বড়োই একাকী?
এসবের উত্তর কে দেবে?
বিধাতা?
বিবেক?
নাকি সময়?

বিধাতাই তো মানুষকে বানিয়েছেন একাকী।
এ মর্ত্যলোকে পাঠিয়েছেন একাকী
জীবনযুদ্ধে ঠেলে দিয়েছেন একাকী
আবার ফিরিয়ে নেন একাকী
তাহলে...

বিবেক তো মানুষকে বুঝিয়ে দেয় সে একা।
জীবন তোমায় গড়তে হবে একা
আজীবন তুমি লড়বে, কিন্তু একা।
অনেক কিছুর মাঝেও মানুষ একা- বুঝানোই বিবেকের কাজ।

সময়ই তো সবচেয়ে দোষী।
সে-ই তো নিয়ে আসে একাকীত্ব
সৃষ্টি করেছে মানুষের নিয়তি।
এই সময়ই এ পার্থিব জগৎ থেকে মানুষকে নিয়ে যায়।
নিয়ে যায় অপার্থিব একলোকে - সেখানেও ভীষণ একা মানুষ।