Wednesday, March 12, 2008

হঠাৎ - ১

২৮ শে জুলাই, ২০০৬ বিকাল ৫:৩৩

হঠাৎ করেই কতোকিছু-
হঠাৎ করেই মন খারাপ করে
হঠাৎ করেই ভালো লাগে
ভালোবাসি হঠাৎ করেই
হঠাৎ আছে বলেই এই বেঁচে থাকা
আবার হঠাৎ করেই মৃত্যু।

সেই তুমি আজ

২৯ শে জুলাই, ২০০৬ রাত ৩:৫৮

বহুদিন পর দেখা হলো তোমার সাথে-
যাবার পথে।
এতোদিনে কেটে গেছে-
উড়ে উড়ে ভেসে গেছে
প্রায় তেরশ বছর।
তুমিও অনেকটা বুড়িয়ে গেছো।
ভাবিনি, তবুও আবার
পেলাম তোমার দেখা,
যে তুমি ছিলে আড়ালে- অদেখা।
কিন্তু এতটাই বুড়িয়ে গেলে এখন!

তোমাকেই দেখেছিলাম আমি
প্রথমবার চোখ মেলে
সেই তোমাকেই চেয়েছিলাম দেখতে
চোখ বোজার মুহূর্তে।

সেই তুমি আজ এতটা জীর্ণ!
তুমিও রেহাই পাওনি !

হে বিধাতা!
তুমি এতটাই নিষ্ঠুর কেন??

অবশেষে...

২৮ শে জুলাই, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:৪০

ঘুমন্ত শহর।
জাগ্রত আমি।
আযানের ধ্বনি।
নিঃশব্দ গানের সুর।
ফুটে উঠা ভোরের আলো।

অবশেষে
মনে উঁকি দেয় সুপ্ত পাপ আমার।।

একাকীত্ব আর আমি

২৯ শে জুলাই, ২০০৬ বিকাল ৪:৫৮

একাকীত্ব মানুষকে কবিতা লিখতে শেখায়?
কবিতাকে সঙ্গী করে নিতে পারে কি একাকী মানুষ?
নাকি কবিতা বুঝিয়ে দেয়: মানুষ তুমি বড়োই একাকী?
এসবের উত্তর কে দেবে?
বিধাতা?
বিবেক?
নাকি সময়?

বিধাতাই তো মানুষকে বানিয়েছেন একাকী।
এ মর্ত্যলোকে পাঠিয়েছেন একাকী
জীবনযুদ্ধে ঠেলে দিয়েছেন একাকী
আবার ফিরিয়ে নেন একাকী
তাহলে...

বিবেক তো মানুষকে বুঝিয়ে দেয় সে একা।
জীবন তোমায় গড়তে হবে একা
আজীবন তুমি লড়বে, কিন্তু একা।
অনেক কিছুর মাঝেও মানুষ একা- বুঝানোই বিবেকের কাজ।

সময়ই তো সবচেয়ে দোষী।
সে-ই তো নিয়ে আসে একাকীত্ব
সৃষ্টি করেছে মানুষের নিয়তি।
এই সময়ই এ পার্থিব জগৎ থেকে মানুষকে নিয়ে যায়।
নিয়ে যায় অপার্থিব একলোকে - সেখানেও ভীষণ একা মানুষ।

সেই ফুল

৩১ শে জুলাই, ২০০৬ সকাল ৭:৫৪

ভালোবাসা মানে ধোঁয়া ছাড়ার প্রতিশ্রুতি।
সেই প্রতিশ্রুতি রাখা হয়নি আজও;
সাক্ষী আমার সেই ফুল।

সাত রঙের মিশ্রণ যে সাদা,
সেই শুভ্রতার ছোঁয়া আজও
ধোঁয়া হতে মুক্ত করতে পারেনি,
সেই পবিত্রতা আজও আমায় স্পর্শ করেনি।

প্রতিশ্রুতি কেন যে দেয়া হয়!
সন্ধ্যার সি্নগ্ধতায় হয়তো আজও
সেই প্রতিশ্রুতি দেবো আবার-
আমি পবিত্র হবো, ভালোবাসবো।

কিন্তু...
রাত্রির নীরবতায় একাকী তার পাশে
একখানা ধোঁয়ার উৎস নিয়ে হাতে
ভাববো...
সেই প্রতিশ্রুতি রাখা হলো না আজও!

ভালোবাসা এখনো কতো দূরে...
সাক্ষী শুধু আমার সেই ফুল।।

থমকে থাকা এ সময়

এ শ্রাবণ সন্ধ্যায়
বৃষ্টিভেজা মৃদু বাতাস
অহেতুক, অকারণে
থমকে গেলো সময়।

হঠাৎ স্তব্ধতা।
নিঃশ্বাসের শব্দ।
কানে লাগে।
অসহ্য।

নিঃশ্বাসে বিষ যেন;
এ সন্ধ্যা,
মৃদু বাতাস,
সবকিছু স্তব্ধ- অসহ্য।

অসহ্য থমকে থাকা এ সময়।।


৩১ শে জুলাই, ২০০৬ সকাল ৯:০৬

Monday, January 28, 2008

ইদানীং- কাব্যকথা

দিনরাত্রি শুধু যন্ত্রণা ছেঁয়ে থাকে
ব্যাকুলতা সময়কে ছাড়িয়ে যায়
শূন্যতার সীমাকেও হার মানায়-
আকাশ-মাটি সর্বত্র একাকীত্ব,
আর পরছায়ায় অপূর্ব তুমি!!

ইদানীংকার কাব্যকথায় শুধুই সে-
যে একান্ত আপন, হৃদয়ের গহীনে
আমার আজন্ম লালিত মনের ঘরে
তাকেই রেখেছি পরম যতন করে।

অকল্পনীয় শব্দখানা কল্পনায় স্থান পায়,
অসম্ভব অপেক্ষা সম্ভাবনার রুদ্ধদ্বারে
কড়াঘাত করে সসীমের গণনা মাড়িয়ে।
কল্পনা পায় মুক্তি,অপেক্ষা তবু চলে
সকল ক্লান্তি ভুলে।
আর
তোমার ভাবনা আগলে রাখে আমাকে-
আমার ধৈর্যশূন্যতা,
হিংস্রতা এবং
কালবৈশাখী কাঙালপনা।

Thursday, January 17, 2008

আবারো গোধূলি বেলায়..

হঠাৎ করে এক রাশ ভালোলাগা আমায় ছুঁয়ে গেলো-
ভালোলাগার নিবিড় করে আলস্য তাড়ানো আলিঙ্গন
মুগ্ধতা কোষ হতে কোষান্তরে...

ডুবন্ত সূর্যের আলোর সৌন্দর্যের ছাঁট লাগলো বুঝি,
পুবপশ্চিমে জন্ম-মৃত্যু, পুনর্জনম-পুনর্মরণে নিই দীক্ষা
ক্ষণে ক্ষণে মৃত্যুতে ক্ষণিকেই জন্মলাভ করা।

পাগল মন,
ধন্য বুঝি একাকী জীবন!
হাহ্‌
মন আমার রোদে পুড়ুক কিংবা করুক জোছনায় স্নান
বলে অম্লান, ভালোলাগা মন্দলাগায় চাই নির্জন নির্বাসন।।

Wednesday, January 16, 2008

মধ্যরাত, এখন আমি

বুকের মাঝে কান্না জমে আছে
গন্তব্য তাদের দু'চোখ আমার
নিউরণে সুঁচ ফোটানোর ব্যথা
শূন্য হৃদয়ের নিঃশব্দ চিৎকার!

হৃদয় হরণের স্পর্ধা দেখাইনি
হৃদয় দানের পথটা ধরে চলি,
বিনিময়ের চাহিদায় নিমজ্জিত
মন আমার হয়েছে ব্যথা-ঝুলি!

Saturday, January 5, 2008

অবশেষে শিরোনাম বলে কিছু থাকে না

ইচ্ছের মৃত্যু হয় ইচ্ছেতেই...

হে আমার আমি!জেগে উঠো আপন ইচ্ছাতেই,
সৌজন্য দেখাতে যেও না যেনো!!
অনুভূতির অনুভব ঠুনকো নয়, আর
তুমিও জানো এ সাদৃশ্য অলৌলিক কিছু নয়
এ তো সত্য। সত্যের মিল হয় পবিত্র সত্যে।
মহাশক্তি জানেন, হে আমার আমি! ভুল নয়
এ শুধুই সত্যের অনুধাবন, আর মরীচিকার মৃত্যু।

অতঃপর জেগে ওঠা আপন সত্ত্বার,
মিথ্যে নয়-
শিরোনামে কিছুই থাকে না
উপসংহার যদি সর্বোত্তম হয়।।

ইচ্ছের পুনর্জন্ম ইচ্ছেতেই।।