৩১ শে জুলাই, ২০০৬ সকাল ৭:৫৪
ভালোবাসা মানে ধোঁয়া ছাড়ার প্রতিশ্রুতি।
সেই প্রতিশ্রুতি রাখা হয়নি আজও;
সাক্ষী আমার সেই ফুল।
সাত রঙের মিশ্রণ যে সাদা,
সেই শুভ্রতার ছোঁয়া আজও
ধোঁয়া হতে মুক্ত করতে পারেনি,
সেই পবিত্রতা আজও আমায় স্পর্শ করেনি।
প্রতিশ্রুতি কেন যে দেয়া হয়!
সন্ধ্যার সি্নগ্ধতায় হয়তো আজও
সেই প্রতিশ্রুতি দেবো আবার-
আমি পবিত্র হবো, ভালোবাসবো।
কিন্তু...
রাত্রির নীরবতায় একাকী তার পাশে
একখানা ধোঁয়ার উৎস নিয়ে হাতে
ভাববো...
সেই প্রতিশ্রুতি রাখা হলো না আজও!
ভালোবাসা এখনো কতো দূরে...
সাক্ষী শুধু আমার সেই ফুল।।
Wednesday, March 12, 2008
থমকে থাকা এ সময়
এ শ্রাবণ সন্ধ্যায়
বৃষ্টিভেজা মৃদু বাতাস
অহেতুক, অকারণে
থমকে গেলো সময়।
হঠাৎ স্তব্ধতা।
নিঃশ্বাসের শব্দ।
কানে লাগে।
অসহ্য।
নিঃশ্বাসে বিষ যেন;
এ সন্ধ্যা,
মৃদু বাতাস,
সবকিছু স্তব্ধ- অসহ্য।
অসহ্য থমকে থাকা এ সময়।।
৩১ শে জুলাই, ২০০৬ সকাল ৯:০৬
বৃষ্টিভেজা মৃদু বাতাস
অহেতুক, অকারণে
থমকে গেলো সময়।
হঠাৎ স্তব্ধতা।
নিঃশ্বাসের শব্দ।
কানে লাগে।
অসহ্য।
নিঃশ্বাসে বিষ যেন;
এ সন্ধ্যা,
মৃদু বাতাস,
সবকিছু স্তব্ধ- অসহ্য।
অসহ্য থমকে থাকা এ সময়।।
৩১ শে জুলাই, ২০০৬ সকাল ৯:০৬
Monday, January 28, 2008
ইদানীং- কাব্যকথা
দিনরাত্রি শুধু যন্ত্রণা ছেঁয়ে থাকে
ব্যাকুলতা সময়কে ছাড়িয়ে যায়
শূন্যতার সীমাকেও হার মানায়-
আকাশ-মাটি সর্বত্র একাকীত্ব,
আর পরছায়ায় অপূর্ব তুমি!!
ইদানীংকার কাব্যকথায় শুধুই সে-
যে একান্ত আপন, হৃদয়ের গহীনে
আমার আজন্ম লালিত মনের ঘরে
তাকেই রেখেছি পরম যতন করে।
অকল্পনীয় শব্দখানা কল্পনায় স্থান পায়,
অসম্ভব অপেক্ষা সম্ভাবনার রুদ্ধদ্বারে
কড়াঘাত করে সসীমের গণনা মাড়িয়ে।
কল্পনা পায় মুক্তি,অপেক্ষা তবু চলে
সকল ক্লান্তি ভুলে।
আর
তোমার ভাবনা আগলে রাখে আমাকে-
আমার ধৈর্যশূন্যতা,
হিংস্রতা এবং
কালবৈশাখী কাঙালপনা।
ব্যাকুলতা সময়কে ছাড়িয়ে যায়
শূন্যতার সীমাকেও হার মানায়-
আকাশ-মাটি সর্বত্র একাকীত্ব,
আর পরছায়ায় অপূর্ব তুমি!!
ইদানীংকার কাব্যকথায় শুধুই সে-
যে একান্ত আপন, হৃদয়ের গহীনে
আমার আজন্ম লালিত মনের ঘরে
তাকেই রেখেছি পরম যতন করে।
অকল্পনীয় শব্দখানা কল্পনায় স্থান পায়,
অসম্ভব অপেক্ষা সম্ভাবনার রুদ্ধদ্বারে
কড়াঘাত করে সসীমের গণনা মাড়িয়ে।
কল্পনা পায় মুক্তি,অপেক্ষা তবু চলে
সকল ক্লান্তি ভুলে।
আর
তোমার ভাবনা আগলে রাখে আমাকে-
আমার ধৈর্যশূন্যতা,
হিংস্রতা এবং
কালবৈশাখী কাঙালপনা।
Thursday, January 17, 2008
আবারো গোধূলি বেলায়..
হঠাৎ করে এক রাশ ভালোলাগা আমায় ছুঁয়ে গেলো-
ভালোলাগার নিবিড় করে আলস্য তাড়ানো আলিঙ্গন
মুগ্ধতা কোষ হতে কোষান্তরে...
ডুবন্ত সূর্যের আলোর সৌন্দর্যের ছাঁট লাগলো বুঝি,
পুবপশ্চিমে জন্ম-মৃত্যু, পুনর্জনম-পুনর্মরণে নিই দীক্ষা
ক্ষণে ক্ষণে মৃত্যুতে ক্ষণিকেই জন্মলাভ করা।
পাগল মন,
ধন্য বুঝি একাকী জীবন!
হাহ্
মন আমার রোদে পুড়ুক কিংবা করুক জোছনায় স্নান
বলে অম্লান, ভালোলাগা মন্দলাগায় চাই নির্জন নির্বাসন।।
ভালোলাগার নিবিড় করে আলস্য তাড়ানো আলিঙ্গন
মুগ্ধতা কোষ হতে কোষান্তরে...
ডুবন্ত সূর্যের আলোর সৌন্দর্যের ছাঁট লাগলো বুঝি,
পুবপশ্চিমে জন্ম-মৃত্যু, পুনর্জনম-পুনর্মরণে নিই দীক্ষা
ক্ষণে ক্ষণে মৃত্যুতে ক্ষণিকেই জন্মলাভ করা।
পাগল মন,
ধন্য বুঝি একাকী জীবন!
হাহ্
মন আমার রোদে পুড়ুক কিংবা করুক জোছনায় স্নান
বলে অম্লান, ভালোলাগা মন্দলাগায় চাই নির্জন নির্বাসন।।
Wednesday, January 16, 2008
মধ্যরাত, এখন আমি
বুকের মাঝে কান্না জমে আছে
গন্তব্য তাদের দু'চোখ আমার
নিউরণে সুঁচ ফোটানোর ব্যথা
শূন্য হৃদয়ের নিঃশব্দ চিৎকার!
হৃদয় হরণের স্পর্ধা দেখাইনি
হৃদয় দানের পথটা ধরে চলি,
বিনিময়ের চাহিদায় নিমজ্জিত
মন আমার হয়েছে ব্যথা-ঝুলি!
গন্তব্য তাদের দু'চোখ আমার
নিউরণে সুঁচ ফোটানোর ব্যথা
শূন্য হৃদয়ের নিঃশব্দ চিৎকার!
হৃদয় হরণের স্পর্ধা দেখাইনি
হৃদয় দানের পথটা ধরে চলি,
বিনিময়ের চাহিদায় নিমজ্জিত
মন আমার হয়েছে ব্যথা-ঝুলি!
Saturday, January 5, 2008
অবশেষে শিরোনাম বলে কিছু থাকে না
ইচ্ছের মৃত্যু হয় ইচ্ছেতেই...
হে আমার আমি!জেগে উঠো আপন ইচ্ছাতেই,
সৌজন্য দেখাতে যেও না যেনো!!
অনুভূতির অনুভব ঠুনকো নয়, আর
তুমিও জানো এ সাদৃশ্য অলৌলিক কিছু নয়
এ তো সত্য। সত্যের মিল হয় পবিত্র সত্যে।
মহাশক্তি জানেন, হে আমার আমি! ভুল নয়
এ শুধুই সত্যের অনুধাবন, আর মরীচিকার মৃত্যু।
অতঃপর জেগে ওঠা আপন সত্ত্বার,
মিথ্যে নয়-
শিরোনামে কিছুই থাকে না
উপসংহার যদি সর্বোত্তম হয়।।
ইচ্ছের পুনর্জন্ম ইচ্ছেতেই।।
হে আমার আমি!জেগে উঠো আপন ইচ্ছাতেই,
সৌজন্য দেখাতে যেও না যেনো!!
অনুভূতির অনুভব ঠুনকো নয়, আর
তুমিও জানো এ সাদৃশ্য অলৌলিক কিছু নয়
এ তো সত্য। সত্যের মিল হয় পবিত্র সত্যে।
মহাশক্তি জানেন, হে আমার আমি! ভুল নয়
এ শুধুই সত্যের অনুধাবন, আর মরীচিকার মৃত্যু।
অতঃপর জেগে ওঠা আপন সত্ত্বার,
মিথ্যে নয়-
শিরোনামে কিছুই থাকে না
উপসংহার যদি সর্বোত্তম হয়।।
ইচ্ছের পুনর্জন্ম ইচ্ছেতেই।।
Monday, December 31, 2007
শিরোনাম, স্বপ্নদেখা
বিশ্ব সংসার তন্নতন্ন করে লাল গোলাপ খুঁজতে আসিনি
এই আগমনের সাথে নব্য কোনো কাব্যও নয় সম্পৃক্ত।
এ তো শুধুই মনের গহীনে লালিত কিছু টুকরো কথা;
গোলাপের কাঁটা গেঁথে আছে হৃদয়ের অস্পৃষ্ট দেয়ালে
লাল-সবুজের আঘাতে সেথায় নীলের অঝোর ধারা।
(নিজের মধ্যে একাকী নিমগ্ন ছিলাম সবার অগোচরে-
আত্মমগ্ন কুয়াশার মোহ ছিঁড়ে গেলো কীসের আহবানে!)
অবিরাম বয়ে চলতে হয় খড়কুটো হয়ে সময়ের স্রোতে
পথের শেষ নেই- বিনাশের পরেও ছুটে চলা অন্ধকারে
আড়াল চাইনি কভু চারকোণার কোনো ঘরে আবদ্ধ হয়ে
ঈশ্বর জানেন, তিনি ভুল করেন না, পথই সেই আড়াল।
(পাতা উল্টালেই নতুন কোনো পথের নীল মানচিত্র মিলে
নীল সেই নকশায় অগণিত আঁকাবাঁকা পথের চলাফেরা।)
সারাদিন কোনো কাজ করা হয়নি, তবুও ভীষণ ক্লান্ত আমি
বিকেলবেলা এমনি একটু চোখ বুজেছিলাম ঘুমুবো বলে,
স্বপ্ন দেখি (যে স্বপ্ন দেখার অবকাশ কখনো ছিলো না আমার):
আমি ভালো আছি। ভীষণ রকম ভালো আর শুধু হাসিমুখ।।
এই আগমনের সাথে নব্য কোনো কাব্যও নয় সম্পৃক্ত।
এ তো শুধুই মনের গহীনে লালিত কিছু টুকরো কথা;
গোলাপের কাঁটা গেঁথে আছে হৃদয়ের অস্পৃষ্ট দেয়ালে
লাল-সবুজের আঘাতে সেথায় নীলের অঝোর ধারা।
(নিজের মধ্যে একাকী নিমগ্ন ছিলাম সবার অগোচরে-
আত্মমগ্ন কুয়াশার মোহ ছিঁড়ে গেলো কীসের আহবানে!)
অবিরাম বয়ে চলতে হয় খড়কুটো হয়ে সময়ের স্রোতে
পথের শেষ নেই- বিনাশের পরেও ছুটে চলা অন্ধকারে
আড়াল চাইনি কভু চারকোণার কোনো ঘরে আবদ্ধ হয়ে
ঈশ্বর জানেন, তিনি ভুল করেন না, পথই সেই আড়াল।
(পাতা উল্টালেই নতুন কোনো পথের নীল মানচিত্র মিলে
নীল সেই নকশায় অগণিত আঁকাবাঁকা পথের চলাফেরা।)
সারাদিন কোনো কাজ করা হয়নি, তবুও ভীষণ ক্লান্ত আমি
বিকেলবেলা এমনি একটু চোখ বুজেছিলাম ঘুমুবো বলে,
স্বপ্ন দেখি (যে স্বপ্ন দেখার অবকাশ কখনো ছিলো না আমার):
আমি ভালো আছি। ভীষণ রকম ভালো আর শুধু হাসিমুখ।।
Saturday, December 29, 2007
বন্ধু, কী খবর বল! কতোদিন দেখা হয়নি... [প্রলাপ]
সময় চলে গেছে এবং চলেছে, চলতি জীবনের গল্প বলছে। পালটে গেলি তুই, আমিও পালটে গিয়েছি মাঝপথে হাঁটতে হাঁটতে...
বড্ড আবেগী এ হৃদয়
আক্রান্ত ক্ষরণে-
কিছু কথা কী এ নশ্বর
জীবনের মানে!
জীবন মানে হাজারো ভঙ্গুর আবেগের সমষ্টিগত সমস্যা!! অ্যাবস্ট্র্যাক্ট আবেগকে ভঙ্গুর সংজ্ঞায়িত করার দায়ভার আমার ঘাড়েই বর্তাবে; লেখালেখিতে কতো না স্বাধীনতা। আর ভার্চুয়াল লাইফ ইজ ফুল অব ফ্রিডমঃ নাথিং টু ওরি এ্যাবাউট অল দ্যা বুল শিট রুলস্।। কী-সব প্রলাপ বকে চলেছি, তাই না? শিরোনামের মানদন্ড রক্ষা হয়তো করা হবে না। তবুও দেখি ব্যর্থতার অজুহাত খুঁজে পাই কিনা...
সুমনের গানটা (হঠাৎ রাস্তায়...) যখন শুনছিলাম, বন্ধুদের কথা ভীষণ মনে পড়ছিলো, এখনো পড়ছে বৈকি। লুপিং টেকনলজির কারণে যখন আবার গানটা বেজে ওঠবে তখন হয়তো স্মৃতিকাতরতা পুনর্জন্মলাভ করবে। মনের ভেতরে জাগে, আমিও ভন্ড অনেকের মতো...
বন্ধুত্বের কোনো সংজ্ঞা নাই, এর পরিধি নিরুপণ করা কক্ষনো সম্ভব নয়। তবুও আমার মেজাজ চরম খারাপ হয়, যখন Friend শব্দটা যখন-তখন যেখানে-সেখানে ব্যবহার করা হয়:- এর মর্ম না বুঝেই। টু হেল উইথ দেম হু ইউজড্ Friend এজ মিনিংলেস রিলেশনশীপ।।
no barriers, no boundaries
but
I must say "I'm not a good friend"
এমনিই বৃষ্টিতে ভিজতাম ভিজি ভিজবো
মেঘের সাথে কোনো শত্রুতা নেই,
তীব্র রোদ মাথায়, গা জ্বলে যায় উত্তাপে
তবুও বন্ধুত্ব শুধু এক সূর্যের সাথেই....
Sunday, December 16, 2007
বিজয় দিবসে আমার ব্যর্থতা
বিজয়াল্লাসে মত্ত কোনো আমার কথা বলতে আসিনি,
হাঁক-ডাক-চিৎকারে গর্বিত পুলকিত চিত্তে মেতে উঠিনি!
গদ্য-পদ্য গঠন-নিয়মকানুন ছন্দ-মাত্রাবৃত্তে পরিমার্জিত
দুরূহ শব্দে অনুসন্ধানের গল্প সাজানোর অনুচিন্তায় চিন্তিত!
আহা,
কী সব হিজিবিজি ব্যাকরণ অলংকরণ অথবা ব্যানার সম্পাদন!
আর অসম্ভব বাস্তবতা এড়িয়ে কালিমাতে সাদা প্রলেপ লেপন।
ব্যর্থতা-
পরাধীন বাংলার ক্রন্দন থেমেছিলো একাত্তরের বলিদানে।
স্বাধীন বাংলার অবিরাম ক্রন্দন রুধির ধারা হয়ে বয়ে যায়
কেনো এ ক্ষরণ আমরা সবাই জানি, শুধু জানা-বুঝাতেই!
মুখে হাজারো বুলি আওড়াই, কাগজে শতরঙের বাহার।।
বাঙালী বলেই বারবার এ কথা শুধু মার্জনা চেয়ে বলি
মায়ের অশ্রুভেজা আঁচলে লাগে কেনো দাসত্বের ধূলি!
হাঁক-ডাক-চিৎকারে গর্বিত পুলকিত চিত্তে মেতে উঠিনি!
গদ্য-পদ্য গঠন-নিয়মকানুন ছন্দ-মাত্রাবৃত্তে পরিমার্জিত
দুরূহ শব্দে অনুসন্ধানের গল্প সাজানোর অনুচিন্তায় চিন্তিত!
আহা,
কী সব হিজিবিজি ব্যাকরণ অলংকরণ অথবা ব্যানার সম্পাদন!
আর অসম্ভব বাস্তবতা এড়িয়ে কালিমাতে সাদা প্রলেপ লেপন।
ব্যর্থতা-
পরাধীন বাংলার ক্রন্দন থেমেছিলো একাত্তরের বলিদানে।
স্বাধীন বাংলার অবিরাম ক্রন্দন রুধির ধারা হয়ে বয়ে যায়
কেনো এ ক্ষরণ আমরা সবাই জানি, শুধু জানা-বুঝাতেই!
মুখে হাজারো বুলি আওড়াই, কাগজে শতরঙের বাহার।।
বাঙালী বলেই বারবার এ কথা শুধু মার্জনা চেয়ে বলি
মায়ের অশ্রুভেজা আঁচলে লাগে কেনো দাসত্বের ধূলি!
Saturday, December 1, 2007
এবার ঘরে ফেরা
কাছে টেনে নিয়ে আমায় দূরে সরিয়ে দিয়েছে আমার আমি
কষ্টার্জিত কিছু অলস সময় করে তাকে সময় দিয়েছিলাম!
সতেজ সময়গুলো নিয়ে হাজিরা দিলাম ভালোবাসার কাছে
অবহেলায় তুচ্ছজ্ঞান করে দূরে ঠেলে দিলো, কী যে অহম!
আপন সত্ত্বার কাছে নতমুখে পরাজিত আমি এক ক্ষমাপ্রার্থী
কতশত অসংলগ্ন ঘটনাকে ক্ষমা করেছে এই আমার সত্ত্বা-
আজ আবার ঘনিয়েছে সময় পুনরায় পুনঃসংশোধনের আর্তি
আর নয় অলস সময়, আর নয় অবহেলা এবার ঘরে ফেরা।।
কষ্টার্জিত কিছু অলস সময় করে তাকে সময় দিয়েছিলাম!
সতেজ সময়গুলো নিয়ে হাজিরা দিলাম ভালোবাসার কাছে
অবহেলায় তুচ্ছজ্ঞান করে দূরে ঠেলে দিলো, কী যে অহম!
আপন সত্ত্বার কাছে নতমুখে পরাজিত আমি এক ক্ষমাপ্রার্থী
কতশত অসংলগ্ন ঘটনাকে ক্ষমা করেছে এই আমার সত্ত্বা-
আজ আবার ঘনিয়েছে সময় পুনরায় পুনঃসংশোধনের আর্তি
আর নয় অলস সময়, আর নয় অবহেলা এবার ঘরে ফেরা।।
- ১ ডিসেম্বর ২০০৭ @ ১৮: ১৩
Subscribe to:
Posts (Atom)