Monday, December 8, 2008

অফুরন্ত অবসরে - ১

নাহ্‌ এরকম অবসর আর আসেনি-
একঘেয়েমি নেই, বিরক্তিও নেই
যেন বহুদূর পাড়ি দিয়ে ঘরে ফেরা।
পরিবর্তনের হাওয়া সকল আঙ্গিকে
কমলা রঙ পড়তেও মন্দ লাগে না!
শুটকী ঝটপট খেয়ে ফেলি ইদাণীং।
আর
বেশ লাগে হিমেল বাতাসের স্পর্শ-
ঘন আবরণের মেলায় যেটুকুন পাই!

Wednesday, December 3, 2008

(শিরোনামহীন)

ভুলে যাওয়ার রেশটুকু রেখে ভুলেই গেছি
মুহূর্ত আগের সহজাত বিহীন ব্যাকুলতা-
ব্যথা জাগায়, ক্ষণে ক্ষণে নষ্টালজিক সুঁচ
মনের কোণে জমে থাকা অর্থহীন আবেগ!

শৈশব ফিরে এসেছে সাতাশের গ্রীষ্মদাহে
হিমশীতল বাতাস আর সূর্যের বরফকিরণে...

Thursday, October 2, 2008

বোরড্‌ এন্ড বোরিং

চরম বিরক্তিকে ধর্ষণযোগ্য শব্দ তল্লাটে নেই
উল্টো, আস্ত-আমাকে ছোঁবল কাটে এক শব্দ
বিরক্তি, হ্যাঁ সে নিজেই এ শিরোনামে বর্তমান
হাহ্‌! জীবন...

পাগল-পারা মানুষদের চলচ্চিত্র দেয় শৃংঙ্খলা
ভিনভাষী ভিনদেশী আইরনী জ্বালা দিয়ে যায়
অথচ, আপনভাষার রিল্‌ হয় বিরক্তি সহযোগী
তাই? অদ্ভুত...

রুমের বোকা-বাক্স নাম সার্থকতা বজায় রাখে
আমি? হই নিছক বিপরীতার্থ শব্দে পর্যবসিত;
রক্‌স্‌ এন্ড বেইজের মূল্যবোধ আঁকড়ে ধরেছি
হেয় মানুষ!!!!

Monday, September 29, 2008

অন্য কাব্য

তবুও মৃত্যু
হয়তো বিস্তর ক্লান্তি
এক সন্ধ্যায় বিনীত স্বীকারোক্তি

রক্তকেতন উড়ে
আগুনের ঝাপসা কুয়াশায়
আঁধার তাকায় খ্যাপা চোখে
মাটির সোঁদা গন্ধে মেতে থাকায়

হয়তো অন্ধযুগ
অথবা নিস্তব্ধতা!
লৌহময়তা, নতুবা
জ্বলন্ত আগ্নেয়গিরি-
একই নোঙরে বাঁধা
ক্ষয়ে যাওয়া বুকের মধ্যভাগে...

পরিনাম
পরিণতি লেখা অন্য কাব্যে।।

Monday, September 15, 2008

জীবনে এ কেমন লুটপাট!

ইচ্ছেদের পূর্ণতার পরম আশ্বাসে
ভালোবেসে ফেলি কেন প্রাণভরে!

ভাবনায় শুধুই এক অবয়ব
হৃদয়ে কামনার তোলপাড়-
অনন্যোজ্জ্বল আলোয় আহত
চিত্তে অনবদ্য দুঃখালোড়ন-

জীবনে চলছে চরম লুটপাট!

এ কেমন প্রেমের মায়াজাল!

কে অনুযোগের দীর্ঘ সারি ভাঙে?
কার বাসনা করে আমাতে লালন?

মুহূর্তগুলো উপলব্ধির কারাগারে
নিঃশ্বাসে সমুদ্র শৃংঙ্খলার জোয়ার-
বৃষ্টিভেজা মৃদু বাতাসে কার সুবাসে
আবেশিত এক অলীক মাদকতা-

নেই, কেউ নেই এ বুকের ভিতরে
তবুও কেনো শূন্যতা নেই অন্তরে?

ভালোবেসেছি সে কোন্‌ অচেনারে!!

Thursday, September 4, 2008

আবির্ভাবের ২৬ বছরে...

অনুভূতি জুড়ে শৃংঙ্খলার ভীষণ আক্রোশ
ভুলে সকল মায়া
পিছুটানবিহীন নির্জন পথে অচেনা আমি
হৃদয়কূলে নেই প্রগাঢ় কোনো পদচ্ছাপ
মনোনদী জোয়ার ভাটায় মুছে গেছে সব

অসম্ভবের ছবি
হন্যে হয়ে খুঁজে মরি
যে আমাকে রেখে এসেছি
সব ভুলে উদাসীন আপন মুহূর্তে
পাই শুধু হারানো স্মৃতির অস্পষ্ট আদল...

পথের বোনা দুঃখ
বিবাগী কিছু ব্যথা হয়ে শেষ সীমানায়
কেন কাঁদায়, একলা ভাবনার আড়ালে
যখন সূর্য রক্তিম হয় প্রখরতা ভুলে
ধূসর হলুদ বর্ণের চাঁদ মুচকি হাসে
আপন অঙ্গনে ভেসে ওঠা নব্যরূপে
কচি সবুজ পাতার পেছনের শুদ্ধ আলো
আর
আগুনঝরা সূর্যের পেছনের শীতলতায়।।

সেপ্টেম্বর ৩, ২০০৮ @ ২৩:৫৫

Friday, August 22, 2008

আড়াল চাই না

জীবন মানেই হোঁচট খাওয়া,
সময়ের স্রোতে ভেসে যাওয়া।
কখনো কখনো থমকে দাঁড়াই
দেখি সময়ও হঠাৎ হোঁচট খায়
এ পরিসরে কিছু ভুল আপেক্ষিকতায় উজ্জ্বল হয়ে ওঠে
আত্মগ্লানির দংশন শুরু হয় এ অবসরের আড়াল পেয়ে!!

অন্ধ সেজে থেকে লাভ কী বলো, যখন
আঁধারের বাস্তবতায় দৃষ্টি ঝলসে যায়!
তাই বুঝি,
সবকিছু ভুলে দূরে কোথাও হারাই তোমাদের পাশ থেকে।

Tuesday, August 12, 2008

আমার অবগাহন

রূঢ়তার মুখোশ পড়া খামখেয়ালী,
নেতিবাচক চিন্তাচেতনায় মগ্নতা-
তবুও অস্তিবাচকতার বুলি ফোটে
মিথ্যে শ্লোকে বাড়ছে দায়বদ্ধতা!

সময় অসময়ের প্রবাহে এক খড়কটু
ঠিকঠাক বেঁচে আছি- ভেসে চলেছি;
ন্যায়-অন্যায়ের বালাই নেই এখানে
মনের পড়া, বইয়ের পড়া একঘেয়ে;
পরিশ্রান্ত শান্ত দৃষ্টি আকাশে হয় স্থির,
নিমিষেই
উত্তরাধিকারিত্বের সিঁড়ি ধ্বসে পড়ে।
মুক্ত আমি
শ্লীল-অশ্লীল সভ্য-অসভ্য বাস্তবতার
অমোঘ মহাকাব্যে করছি অবগাহন।।

Thursday, August 7, 2008

পরবর্তী কবিতাদের পূর্বকথা

ক'দিন কাব্যের মাঝেই আছি
অদৃশ্য শব্দাবলীর কোলাহলে
কাব্যিক নিউরণ জেগে ওঠছে
তাদের সুপ্তাবস্থা ত্যাগ করে...

আমি বড্ড আহ্‌লাদিত চিত্তে
শব্দখেলায় মুদে আছি নির্জনে
অসহ্য ভীড়ের অগোচরে একা
চিরচেনা অগমপথের অভিসারে...

লক্ষাধিক নিউরণ এখনো ঘুমে
অজানা দীর্ঘপথ পথিককে খুঁজে
নির্বাক তাকিয়ে রই শূন্য চোখে
কঠিন অধ্যাবসায়েই সবাই জাগে।।।

Friday, July 18, 2008

নব উদ্যোমে চেনা কষ্ট

কেটেছে প্রহর উদাসীন-
মন খারাপ করা বিকেলে
যখন তখন
এখানে ওখানে
ক্লান্তির অন্তরালে
বিষাদ মাখা রোদ্দুরে
অল্প অবকাশে ভীষণ রাগে...
হাহ্‌, কতো বেসুরো চিৎকারে!
তবুও ভালো থাকার তীব্রতা।
অথচ
এখন কী এক অভিমান
এই বৃষ্টিস্নাত মধ্যরাতে
আমায় তীর্থের পথ দেখালো;
ভুলে ছিলাম নীরব কোলাহলে
আজ আবারো চেনা উপলব্ধি
নব উদ্যোমে আমার ভেতর
জন্ম দিয়েছে এক অনন্ত কষ্ট।।

১৬ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:১২

Monday, July 14, 2008

অতঃপর এক উদ্ভাসিত সত্ত্বার আবির্ভাব

আমি অমাবস্যার চাঁদ হতে চেয়েছিলাম
গৃহত্যাগী জোছনা নিয়ে এলো লোকালয়ে
কার্নিশে ঊঁকি দিয়ে যায় লক্ষাধিক তারা
ঘরে আমার আলো-আঁধারির অবাক ভ্রমণ।

জমকালো পোশাকে কাফনের দায়বদ্ধতা
স্কচের স্বাদে মৃত চা-পাতার তীব্র সোঁদা গন্ধ
মাতাল সুরে বাধা দেয় নাম না জানা পাখি
নেচে ওঠে না মন, কেঁদে ওঠে চোখের জলঃ
শৈশবে ফিরে যাই, চিৎকার করে ডাকি- "মা"
কোনো শব্দ নেই, বেঁচে থাকায় বড্ড ক্লান্তি
ভীষণ মায়ায় শুয়ে পড়ি বিশাল আকাশতলে
পরম যত্নে কে যেনো কপালে পরশ বুলায়
কী নিবিড় প্রশান্তি! আর কোনো অভিমান নেই।

অবিকল জন্মের মতো, তফাৎ শুধুই জীবনের
সেদিন হয়তো আলো দেখে কেঁদে ওঠেছিলাম
আজ ভীষণ আঁধারে এক টুকরো নীরব হাসি-
অতঃপর..

Friday, March 14, 2008

হঠাৎ - ৪

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:১২

হঠাৎ করেই হারিয়ে যাওয়া তুমি
হঠাৎ একদিন হয়তো আসবে ফিরে।
বলবো না তখন হঠাৎ করেই
'এতোদিন তুমি কোথায় ছিলে?'
জড়িয়ে নেবো তোমায় আবার
সেই ভালোবাসার বন্ধনে,
যদিও জানি হঠাৎ এই যাওয়া-আসা
করবে খেলা একান্ত গোপনে।

এ যেন মেঘলা দিনে
এক টুকরো হঠাৎ রোদ্দুর,
কখনো বা হীম সন্ধেবেলা
হঠাৎ বৃষ্টিতে মন খারাপের সমুদ্দুর।

কে যেন...

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:৩৩

প্রতিটি রাত
প্রতিটি প্রহর
কাটে শুধু
তোমারই বিরহে
তোমার স্মৃতি
হৃদয়ে আমার
দেয় দোলা
প্রতিটি প্রহরে ।।

মেঘের সাথে

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৪১

অনেক অনেকদিন পর মনের আকাশে আজ
ঝলমলে সূর্যের আগমন;
ঝিলমিলে রোদ আর পাখির কিচিরমিচির কলতান
প্রকৃতির চোখে যেন আনন্দের ঝর্ণাধারা!
একরাশ ভালোবাসা নিয়ে এলো মৃদু হিমেল বাতাস
হাত পেতে নিলাম আর ভেসে গেলাম নির্মল ভালোলাগায়...

হঠাৎ মেঘ ঘুঙুর পড়লো নাচবে বলে
হারিয়ে গেলাম মেঘের সাথে সব ছন্দ ভুলে...

ইংরেজির ইংরেজিয়ানা

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:১৩

... ইংরেজি কথা বলি। বাংরেজি গান করি
ইংরেজি ভাব-চক্কর আর ইংরেজি স্বপ্ন দেখি।

ইংরেজি শব্দটা আমরা যখনতখনই ব্যবহার করে থাকি। এমনকি বাংলা ও ইংরেজি মিলিয়ে বাংরেজির উৎপত্তি ঘটেছে সেই ইংরেজির কল্যাণে!!! ইংরেজি ভাষা তো আমাদের জানতেই হবে- লেখাপড়ার জন্য, জীবীকা নির্বাাহের জন্য, বর্হিবিশ্বে যোগাযোগের জন্য। তবে আমরা শুধু ভাষা শিক্ষাতেই থেমে থাকেনি; ইংরেজি চালচলন আয়ত্ত্বকরণের চেষ্টা আমাদের অবিরত চলছে। চলবে তো বটেই কারণ ইংরেজরা আমাদের উপর আধিপত্য করে গেছে ১৯০(+) বছর। এখনো কি করছে না!!!!

এখন আসল কথায় আসি। ইংরেজির ইংরেজিয়ানা নিয়ে যে এতো উন্মত্ত, সেই ইংরেজি শব্দ নিজেই ইংরেজি নয়। স্পষ্ট করে বলিঃ ইংরেজ শব্দের অর্থ হলো ইংল্যান্ডের অধিবাসী। তাদের ভাষা, তাদের কাজকারবারই হলো ইংরেজি। তবে ইংরেজ বা ইংরেজি শব্দটার উংপত্তি হয়েছে পর্তুগীজ Engrez শব্দ থেকে। এই শব্দটিই বাংলায় হয়েছে ইংরেজ বা ইংরাজ। এবং এর সাথে 'ই' প্রত্যয় যুক্ত করে হয়েছে ইংরেজি বা ইংরাজি বা ইংরিজি।আমরা বাঙালিরা ইংরেজির ইংরেজিয়ানা নিয়ে মেতে উঠে বাংলার বাঙালিয়ানাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছি তা কারো জানা আছে কি?????

আমার মাকে ভালোবাসি
আমার দেশকে ভালোবাসি
তবে আমি জানি না কেন আমি হেট করি
এসব খ্যাঁৎ খ্যাঁৎ খ্যাঁৎ বেঙ্গলি।।....

রক্তজবা ছিঁড়েছে

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:০১

উদ্ভ্রান্তের মতো হাঁটছি
আর পাগলের মতো যাকে তাকে বলছি,
জানেন, ওরা আমার রক্তজবা ছিঁড়েছে

কথাগুলি গানখানাতে যতোবারই ধ্বনিত হয়, মনে এক-একটা করে হতাশার জন্ম হয়। তবুও শুনি- যখন তখনই পুরো গানখানা শুনি। কারণ সেই হতাশার সাথে জন্ম নেয় সেই স্পৃহা- যে স্পৃহা জন্ম দেবে সেই বিপ্লব - যে বিপ্লব প্রতিশোধ নেবে সেই ধর্ষকদের - যারা ধর্ষণ করে যাচ্ছে মা-বোন-মেয়ে-প্রেমিকারূপী নারীদের। যারা উন্নয়নের নামে, ধর্মের নামে, দেশ রক্ষার অজুহাতে ধর্ষণ করছে সমাজকে - সর্বোপরি আমাদের মা ও মাটিকে- দেশ ও জাতিকে। সে স্পৃহা যেন বাংলার প্রতিটি মানুষের মনে জন্ম নেয় সেই কামনায় আজকের এই- রক্তজবা

খবরটা শুনে আমি উন্মাদের মতো ছুটলাম
হাসপাতালে
চারিদিকে রক্তের ছোপ ছোপ
ধর্ষিত হয়েছে আমার প্রেমিকা-
আমার রক্তজবা।
চোখ মেলে তাকালো সেই মেয়ে
প্রেমিকের কাছে অভিযোগ
রক্তভেজা শরীরে
"জানো! ওরা ন'জন ছিলো
কতো কাকুতি-মিনতি আমি করলাম
তোমার কথাও ওদের বললাম
জানি তুমি কষ্ট পাবে।
ঈশ্বরকে আমি প্রাণপণ ডাকলাম
উনি হয়তো অন্য কোন কাজে ব্যস্ত ছিলেন
কেন তুমি এতোগুলি বছর আমায় পবিত্র করে রাখলে?
মা মাগো মা! কী ভয়ঙ্কর যন্ত্রণা!
জানো! ওরা ন'জন ছিলো
কেউ রেহাই দেয়নি।"

যে মহিলা সর্বক্ষণ তিরস্কার করতেন
আজ সে মা হয়ে গেছে
তাঁর চোখেতে আমাদের জন্য মমতা।
দু'জন পুরুষের চোখাচোখির ভাষা
পারবে কি খুনী হয়ে প্রতিশোধ নিতে তোমার রক্তজবার?

হাসপাতাল থেকে বের হলাম
সেই চেনা শহর,
সেই আইসক্রিমের দোকান,
সেই হাসি হাসি মুখ।
কতোটা অত্যাচারের পর প্রতিশোধ নেয়ার স্পৃহা জাগে?
কতোটা প্রতিশোধের জন্য খুনী হওয়াই উচিৎ?
উদ্ভ্রান্তের মতো হাঁটছি
আর পাগলের মতো যাকে তাকে বলছি,
জানেন ওরা আমার রক্তজবা ছিঁড়েছে
জানেন ওরা আমার রক্তজবা ছিঁড়েছে
জানেন ওরা আমার রক্তজবা ছিঁড়েছে
জানেন ওরা আমার রক্তজবা ছিঁড়েছে
জানেন ওরা আমার রক্তজবা ছিঁড়েছে
জানেন ওরা আমার রক্তজবা ছিঁড়েছে
জানেন ওরা আমার রক্তজবা ছিঁড়েছে
জানেন ওরা আমার রক্তজবা ছিঁড়েছে... ...

এখনো খিদে পায়... ...

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১:৪৮

সারা দেশ ও বিদেশ জুড়ে
পশু-পাখি ও মানুষের অনেক স্বর বলে উঠে-
"আমাদের হৃদয়ের কোনো সমস্যা নেই।
দর্শন, বিজ্ঞান, প্রেম-ভালোবাসা নেই।
শুধু খিদে পায়-
বড্ড খিদে পায়।"

কবে যে কথাগুলো মোবাইল ফোনখানাতে সেভ করেছিলাম ভুলে গেছি। আজ আবার হঠাৎ চোখে পড়লো। ভাবছি এতোদিন পরেও ভাবনার কোন পরিবর্তন হলো না! আজও বলতে হচ্ছে- বড্ড খিদে পায়।।।

এ খিদের শেষ কোথায়... ...

অজানা ও আমি

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৪:২৮

কাছে যাওয়া বড্ড বেশি হবে
এই খানেই দাঁড়িয়ে থাকা ভালো
তোমার ঘরে থমকে আছে দুপুর
বারান্দাতে বিকেল পড়ে এলো
শুনি আপন বুকের দুরুদুরু
সেখানে এক মত্ত আগন্তুক
রক্ত কণায় তুলেছে তোলপাড়
সেই খানেতেই সুখ আমার সুখ
আলিঙ্গনের প্রকান্ড এক বনে
ঠোঁটে তোমার দীপ্ত কমন্ডলু
উপচে পড়ে বিদু্যতে চুম্বনে...


***** অজানার সাথে আমি। কবিতাটা কার জানি না।

বলছি তোমাদের...

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৩:২৯

সামনে হেঁটো না-
হয়তো পারবো না করতে অনুসরণ।
পেছনেও হেঁটো না-
হয়তো পারবো না করতে পথ প্রদর্শণ।
শুধু আমার পাশাপাশি হেঁটো
আর বন্ধু হয়ে থেকো।

রাগমোচন

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:২৮

খানিক বাদেই এলো মধু বসন্ত-
আর একটুপর এলো গ্রীষ্মের রুদ্র উত্তাপ-
অতঃপর এলো বর্ষা-
সিক্ত হয়ে গেলো ধরণীর অন্তর-

(১০ জানুয়ারি ২০০২)